অবশেষে পাঞ্জাবের বিপক্ষে শ্বাসরুদ্ধকর জয় পেল কোহলির বেঙ্গালুরু

ক্রিকেট খেলাধুলা

ডাবল ছক্কা’য় শুরু করেও রয়্যাল গর্জনে বেশি দূর এগোতে পারল না কিংস ইলেভেন।  চিন্নাস্বামীতে বিরাটদের বিরুদ্ধে ১৫৫ রানে থেমে গেল প্রীতি জিন্টার কিংস যোদ্ধারা।  ইনিংসের চতুর্থ ওভারে তিন উইকেট তুলে নিয়ে পঞ্জাব ইনিংসের মেরুদন্ড ভেঙে দেন ঘাতক উমেশ।  তবে দলীয় হতাশার মধ্যে থেকে গত ম্যাচে ১৪ বলে ফিফটি করা রাহুল আজও ব্যাট হাতে ছিলেন উজ্জল।  ফলে ১৯ ওভার ২ বল খেলে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৫৬ রানের লক্ষ্য দেয় কোহলিদের।

 

৪ উইকেটে জয় পেল

কোহলির বেঙ্গালুরু

কোহলিদের সর্বশেষ সংগ্রহ –

স্কোর –১৫৯ /৬

ওভার – ১৯.৩

 

টস জিতে প্রীতি জিন্তার কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় রয়্যাল অধিনায়ক বিরাট কোহলি।  তাই ব্যাট হাতে নামে পাঞ্জাব।  মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে সঙ্গে নিয়ে গোড়া পত্তন করেন লোকেশ রাহুল।  শুরুতেই দারুণ ব্যাট চালায় দুই ওপেনার।  তবে দারণ শুরু করে ওপেনার আগরওয়াল ১১ বলে ১৫ রান করে উমেশ যাদবের বলে ডি ককের হাতে ক্যাচ দিয়ে ড্রেসিং রুমের পথ ধরেন।

আগরওয়ালের বিদায়ের পর ব্যাট হোতে আসেন অজি তারকা অ্যারণ ফ্রিঞ্চ।  তিনি কোন রান না করে যাদবের বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে কাঁটা পড়েন।

পরে রাহুলকে সঙ্গ দিতে আসেন যুবরাজ সিং।  তিনিও বিধ্বংসী যাদবের বলে ৪ বলে ৪ রান করে সরাসরি বোল্ড হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন।  তবে একপ্রান্ত থেকে ভয়-ডরহীন খেলেন আইপিএলে পাঞ্জাবের হয়ে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ব্যাট হাতে নেমেই রীতিমত রেকর্ড গড়া ভারতীয় তারকা লোকেশ রাহুল।

যুবরাজের বিদায়ের পর করুণ ন্যায়ার এসে জুটিবদ্ধ হয়ে দলীয় সংগ্রকে বাড়াতে সাহায্য করে।  পরে রাহুল ৩০ বলে ৪৭ রান করে ওয়াশিংটন সুন্দর বলে সরফরাজ খানের হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন।  রাহুলের বিদায়ের পর বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকতে পারেননি ন্যায়ার।  তিনি ২৬ বলে ২৯ রান করে কুলভেন্ট খিজরোলিয়ার বলে সরাসরি বোল্ড হন।

পরে অক্ষর প্যাটেল ও মার্কাস স্টোনিস ব্যাট হাতে আসেন।  স্টোনিস ৯ বলে ১১ রান করে সুন্দরের উেইকেট রক্ষক ডি ককের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন।

দলীয় হতাশার ব্যাট হাতে নামেন অধিনায়ক অশ্বিন ও প্যাটেল।  অধিনায়ককে বেশিক্ষণ সঙ্গ দিতে পারেননি প্যাটেল।  তিনি ৩ বলে ২ রান করে খিজরোলিয়ার বলে এল বি ডব্লিউ‘র ফাঁদে পরে সাজঘরে ফিরেন।

পরে অশ্বিনকে সঙ্গ দিতে ব্যাট হাতে আসেন অ্যান্ড্রু টাই।  দু‘জনে দলীয় স্কোর বাড়ানোর জন্য প্রাণপন চেষ্টা করেন।  পরে ৭ বলে ৭ রান করে ক্রিস ওকসের বলে কোহলির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন অ্যান্ড্রু টাই।  ততক্ষণে কাপ্তান পৌঁছেন ২৪ রানে।

অ্যান্ড্রু টাইয়ের বিদায়ের পর আসেন মুহিত শর্মা।  যুবেন্দ্র চাহালের বলে অশ্বিন সামনে এগিয়ে মারতে গিয়ে ডি ককের হাতে ধরা পড়েন।  তিনি ২১ বলে ৩৩ রান করে আউট হন। তার বিদায়ের পর মুজিব এসে শুন্য রানে আউট হন।  ফলে ১৯ ওভার ২ বলে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৫৫ রান করেন প্রিতীর পাঞ্জাব।

রয়্যালের হয়ে তিনটি উইকেট নেন উমেশ যাদব।  দুটি করে উইকেট নেন ওয়াশিংটন সুন্দর, ক্রিস ওকস ও কুলভেন্ট খিজরোলিয়া।  এ ছাড়া একটি উইকেট নেন চাহাল।