অবশেষে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড রবিনহোর ৯ বছরের জেল

খেলাধুলা ফুটবল

ঘটনাটা ২০১৩ সালের। মিলানের এক নাইটক্লাবে ২২ বছর বয়সী এক তরুণীকে গণধর্ষণ করার অভিযোগ ওঠে রবিনহোর বিরুদ্ধে। প্রায় ৪ বছর পর সেই অপরাধের রায় দিয়েছেন ইতালিয়ান এক আদালত। যেখানে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড দোষী প্রমাণিত হওয়ায় শাস্তি হিসেবে তাকে ৯ বছরের জেল দিয়েছেন আদালত।

ইতালিয়ান দৈনিক ‘লা স্তাম্পা’র খবর, অ্যাতলেতিকো মিনেইরোর এই তারকার সঙ্গে তার এক বন্ধুকে ধর্ষণের শিকার হওয়া ওই তরুণীকে ৬০ হাজার ইউরো দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ২০১৩ সালে মিলানের এক নাইটক্লাবে ২২ বছর বয়সী আলবেনিয়ান এক তরুণীকে মদ্যপান করিয়ে রবিনহো গণধর্ষণ করেছিলেন তার পাঁচ বন্ধুকে নিয়ে। রবিনহোর সঙ্গে আরেকজনকে চিহ্নিত করা গেলেও বাকি চারজনের ব্যাপারে সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি। তাই তাদের শাস্তির বাইরে রেখে বৃহস্পতিবার রায় দিয়েছেন ইতালির এক আদালত।

সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ ফরোয়ার্ডের শাস্তি অবশ্য এখনই কার্যকর হচ্ছে না। ইতালির আইন অনুযায়ী, আপিল প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত শাস্তি কার্যকর হয় না। তাই ৩৩ বছর বয়সী তারকাকে জেল খাটতে হয় কিনা, সেটা রবিনহোর আপিলের পরই জানা যাবে।

ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড অবশ্য শুরু থেকেই নির্দোষ দাবি করে আসছেন নিজেকে। আদালতের রায়ের পরও বলেছেন এই কথা। নিজের ইনস্টাগ্রাম পেজে লিখেছেন, ‘আগে থেকেই আমি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে এসেছি। এই ঘটনায় আমি জড়িত নই।’

দারুণ সম্ভাবনা নিয়ে পেশাদারি ক্যারিয়ারে পা রেখেছিলেন রবিনহো। কিংবদন্তি পেলের ছায়াও খোঁজা হচ্ছিল তার মাঠে। সান্তোস ছেড়ে ২০০৫ সালে রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দিয়ে নেমেছিলেন ‘আসল’ মিশনে। কিন্তু প্রত্যাশার জবাবটা একেবারেই দিতে পারেননি তিনি। তিন বছর সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে কাটিয়ে ২০০৮ সালে যোগ দেন ম্যানচেস্টার সিটিতে। দুই বছরের প্রিমিয়ার লিগ ক্যারিয়ার শেষে ২০১০ সালে নাম লেখান এসি মিলানে। ২০১৫ সাল পর্যন্ত মিলানে থাকার সময়েই তার বিরুদ্ধে ওঠে ধর্ষণের অভিযোগ। বিবিসি, ইএসপিএনএফসি