আইপিএলে ফ্লপ হয়েও কোটি টাকা অর্জনকারী ৫ জন

ক্রিকেট খেলাধুলা

আইপিএল লোভনীয় হওয়ার বড় কারণ এখানে একটি ম্যাচ খেলেও অনেক ক্রিকেটার কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিতে পারেন। নিলামে ডাক পাওয়ার পর আপনি সাইট বেঞ্চে বসে থাকুন কিংবা খেলুন না কেন নির্ধারিত ফি ঠিকই অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেবে কর্তৃপক্ষ। আর এ কারণে ইন্ডিয়ান লিগটি বিদেশি ক্রিকেটারদের কাছে অধিকতর জনপ্রিয় ও লোভনীয়।

এবার জেনে নিন যেসব তারকা আইপিএলে ফ্লপ হয়েও কোটি কোটি টাকা অর্জন করেছেন।

টাইমল মিলস
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের ১০ম আসরে ১২ কোটি টাকায় টাইমল মিলসকে কিনে নেয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। কিন্তু আসরটিতে সব মিলিয়ে ৫ ম্যাচে ৫ টি উইটকেট তুলতে সক্ষম হয়েছিলেন তিনি।

মূলত ডেথ ওভারে দারুন বোলিংয়ের জন্য বেশ জনপ্রিয় ইংল্যান্ড তারকা মিলস।

যুবরাজ সিং

আইপিএলের ২০১৫ সিজনে ১৬ কোটি টাকায় যুবরাজ সিংকে কিনে নেয় দিল্লি ডেয়ার ডেভিলস।  কিন্তু দুঃখের ব্যাপার হলো, ওই আসরে ১৪ ম্যাচে মোটে ২৪৮ করতে সক্ষম হন ভারতীয় হার্ডহিটার। আসরটিতে তার সর্বোচ্চ স্কোর ছিল ৫৭।

আরো তথ্য হলো, ওই আসরে ৯ ওভার বোলিং করে ৭২ রান খরচ করে মাত্র এক উইকেট পান যুবরাজ।

নেগি

আইপিএল সিজন ২০১৬ তে ভারতীয় অলরাউন্ডার পবন নেগিকে সাড়ে আট কোটি টাকায় কিনে নেয় দিল্লি। কিন্তু ওই আসরে ব্যাট ও বল হাতে সুপার ফ্লপ ছিলেন তিনি। আট ম্যাচে মোটে ৫৭ রান করেন নেগি। আর বল হাতে আট ম্যাচে উইকেটের দেখা পান মাত্র একটি।

মোহাম্মদ আসিফ

আইপিএলের ২০০৮ সিজনে দিল্লির হয়ে খেলেছিলেন পাকিস্তানি পেসার মোহাম্মদ আসিফ। ছয় লাখ ৫০ হাজার ইউএস ডলারে তাকে কিনে নেয় দলটি। আসরটিতে মোট আটটি ম্যাচে ৩২ ওভার বোলিং করে ২৯৬ রান দেন তিনি। যদিও ওভার প্রতি ৯ খরচ করে ৮টি উইকেট তুলতে সক্ষম হন আসিফ।

মাশরাফি বিন মর্তুজা

আইপিএল সিজন ২০০৯-এ কলকাতা নাইট রাইডার্সের জার্সিতে খেলেছিলেন টাইগার পেসার মোহাম্মদ মাশরাফি। সেবার তাকে ছয় লক্ষ ইউএস ডলারে কিনে নেয় বলিউড সম্রাট শাহরুখ মালিকানাধীন দলটি। আসরটিতে মাত্র একটি ম্যাচে খেলার সুযোগ মিলে তার।  আর ওই অভিষিক্ত ম্যাচে চার ওভারে মোটে ৫৮ রান খরচ করেন টাইগার পেসার।

সবচেয়ে দুঃখজনক ব্যাপার হলো, কেকেআরের বিপক্ষে ম্যাচটিতে শেষ ওভারে ২১ রান প্রয়োজন ছিল ডেকান চার্জাসের। কিন্তু মাশরাফিকে শেষ ওভারে তুলোধুনো করে ম্যাচটি জিতে নেয় ডেকান চার্জাস।