আদালতের রায়ে সঞ্জয় লীলার স্বস্তি

বিনোদন

সঞ্জয় লীলা বানসালির জন্য এ যেন এক বিরাট স্বস্তি। অবশেষে ভারতের সর্বোচ্চ আদালতে ‘পদ্মাবতী’র বিরুদ্ধে দায়ের করা পিটিশন খারিজ করে দিয়েছেন দেশটির আদালত। রাজপুতদের অনুভূতিতে আঘাত দিতে পারে ‘পদ্মাবতী’, এই মর্মে ছবিটির মুক্তি স্থগিত করতে পিটিশন জারি করা হয়। জিনিউজের খবরে প্রকাশ, সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র না থাকার কারণেই পিটিশনটি খারিজ করে দেওয়া হয়েছে।

পিটিশনটি খারিজ করে দেওয়ার সময় ভারতের সর্বোচ্চ আদালত জানান, ‘সেন্সর বোর্ড স্বাধীন একটি জায়গা এবং তাদের দেওয়া রায়ের ওপর সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়।’ তবে এ রায়কে না মেনে বিজেপি নেতা অর্জুন গুপ্তা চিঠি লিখেছেন মুখ্যমন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের কাছে। সেখানে ছবিটিকে ‘ন্যক্কারজনক’ বলে আখ্যা দেন তিনি। অর্জুন আরো বলেন, ‘শুধু রাজপুতরাই নয়, গোটা ভারত ছবিটির বিরুদ্ধে। ইতিহাস বিকৃত করার জন্য তাঁর (সঞ্জয় লীলা বানসালি) দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত, যাতে করে আর কেউ এই ধরনের ছবি নির্মাণের সাহস না পায়।’

তবে রাজস্থানে ‘পদ্মাবতী’ ছবিটির মুক্তি বিরাট চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে বানসালির জন্য। তারপরও সেখানে থেকে একরকম সবুজসংকেত পেয়েছেন তিনি। ছবিটির ব্যাপারে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী জি সি কাটারিয়া বলেছেন, ‘আমার একটা কমিটি ছবিটি দেখবে। যদি ছবিটিতে এমন কিছু পাওয়া যায়, যা আমাদের প্রকৃত ইতিহাসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, তাহলে আমরা সেই দৃশ্যটিকে বাদ দিতে বলব। কিন্তু যতক্ষণ কমিটির প্রতিবেদন না আসছে, ততক্ষণ কিছু বলা ঠিক হবে না। তবে যাঁরা এ নিয়ে আইন হাতে তুলে নিচ্ছেন, তাঁদের আমি নিরুৎসাহিত করব।’

এখন পর্যন্ত ছবিটির ব্যাপারে কিছুই জানায়নি ভারতীয় সেন্সর বোর্ড। চলতি বছরের ১ ডিসেম্বর ‘পদ্মাবতী’ ছবিটির মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। তবে আদালতের রায়ের পর বানসালি আশা করতে পারেন, সেন্সর বোর্ডও রায় দেবে তাঁর পক্ষেই।