আমলা পাল আসলেই দেখতে কি দীপিকার মতো

বিনোদন

ছবিতে কাছাকাছি চেহারার দুটি মুখ। একজন বলিউডের নারী অভিনেত্রীদের মধ্যে এই সময়ের সবচেয়ে বড় তারকা দীপিকা পাড়ুকোন। অন্যজন দক্ষিণী সিনেমার খুব জনপ্রিয় একজন অভিনেত্রী আমলা পাল। অবিকল না হলেও মুখ ও চেহারার আদলে যার সঙ্গে অনেকটাই মিল রয়েছে বলিউডের দীপিকার। তাই দক্ষিণী দীপিকা নামে বেশ খ্যাতি রয়েছে আমলার।

মডেলিংকে পেশা হিসেবে নিলেও ২০০৯ সালে সিনেমায় প্রথম হাতেখড়ি হয় তাঁর। প্রথম মালয়ালম ছবি ‘নীলথামারা’-তে সবার নজর কাড়েন আমলা। একে একে তালিম, মালয়ালম, কন্নড়- বিভিন্ন ভাষার সিনেমায় অভিনয় করেছেন। ইতিমধ্যেই ৩০টি ছবিতে অভিনয় করে ফেলেছেন তিনি।

সাত বছরের অভিনয় জীবনে এক গুচ্ছ পুরস্কার রয়েছে আমলার ঝুলিতে। ২০১১ সালে সেরা তামিল অভিনেত্রী পুরস্কারের পাশাপাশি জিতে নেন দক্ষিণের ফিল্ম ফেয়ার অ্যাওয়ার্ড। ২০১৩ সালে সেরা মালয়ালম অভিনেত্রীর পুরস্কার ঝুলিতে পুরে ফেলেন আমলা। তা ছাড়াও ‘থালাইভা’ ছবিতে ‘ফেভারিট হিরোইন’ হিসেবে জিতেছেন ‘বিজয় অ্যাওয়ার্ড’।

সেরা অভিনেত্রী হিসেবে নজর কাড়লেও আমলাকে নিয়ে বিতর্কও কম হয়নি। কখনও ব্যক্তিগত জীবনে আবার কখনও সিনেমার চরিত্রের জন্য বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন এই তামিল অভিনেত্রী। ২০১১ সালে তামিল থ্রিলার ছবি ‘সিন্ধু সামাভেলি’-তে একটি বিতর্কিত চরিত্রে অভিনয়ের জন্য সংবাদের শিরোনামে উঠে আসেন আমলা। ছবিটিতে দেখানো হয় নিজের শ্বশুরের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে জড়িত গল্পের নায়িকা ‘আনাকা’ ওরফে আমলা।

‘আনাকা’ চরিত্রে অভিনয়ের জন্য তুমুল সমালোচনা হয় আমলাকে নিয়ে। তামিল সংস্কৃতির বিরোধী বলে ‘সিন্ধু সামাভেলি’ সিনেমাটি নিয়েও বিতর্কের ঝড় ওঠে। এমনকি অভিনেত্রীকে খুনের হুমকি পর্যন্ত দেয়া হয়। কিন্তু যে আমলাকে নিয়ে এতো আলোচনা সেকি আসলেই দীপিকার মতো দেখতে? বিবেচনা আপনাদের হাতে।