আরিফুলের ব্যাটে খুলনার শ্বাসরুদ্ধকর জয়

ক্রিকেট খেলাধুলা

শেষ ওভারে খুলনার জয়ের জন্য চাই ৯ রান। নবম উইকেট জুটিতে আরিফুল হকের সঙ্গে ছিলেন জুনাইদ খান। এর আগেও একটি ম্যাচে ঝড়ো ইনিংস খেলে দলের জয়ে ভূমিকা রেখেছিলেন। আরিফুলের ওপর তাই আস্থা রাখা যায়। রাজশাহী অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি তখন বোলিংয়ের জন্য খুঁজে বের করলেন ডোয়াইন স্মিথকে। যার প্রথম বলে ছক্কা হাঁকিয়ে দলকে জয়ের দরজার কাছে নিয়ে যান আরিফুল। পরের বলেই চার মেরে মধুর ও শাসরুদ্ধকর এই জয় এনে দেন দলকে। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার দিনের প্রথম ম্যাচে ২ উইকেটে জয় পায় খুলনা টাইটান্স। যে ম্যাচে দুই দলের ইনিংসেই খেলার রং বদলালো বেশ ক’বার। শেষ পর্যন্ত অবশ্য রোমাঞ্চকর জয়ের উৎসবটা খুলনার।

এদিন টস জিতে রাজশাহীকে আগে ব্যাট করতে পঠায় খুলনা টাইটান্স। শুরুতে চাপে পড়লেও ডোয়াইন স্মিথ ও মুশফিকুর রহীমের ব্যাটে তা কাটিয়ে ওঠে রাজশাহী। শেষে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৬৬ রান করে দলটি। জবাব দিতে নেমে ১৩ রানে ২ উইকেটে হারায় খুলনা। সেখান থেকে মাহমুদউল্লার ফিফটিতে ঘুরে দাঁড়ানো। ৫৬ রান করে মাহমুদউল্লাহ বিদায় নিলে ফের বিপাকে খুলনা। কিন্তু লোয়ার অর্ডারে ভরসা হয়ে ওঠা অল রাউন্ডার আরিফুলে মুক্তি দলটির। হোসেন আলির করা ১৮ তম ওভারেই ঘুরে যায় খেলা। ওই ওভার থেকে আসে ১৮ রান। আরিফুল একটি ছক্কার সাথে মেরেছিলেন দুটি চারের মারও। আর আরিফুলের ম্যাচ জেতানো ইনিংসটি দারুণ চাপে তার স্নায়ুচাপ সামলে ব্যাটিং সামর্থ্যেরই পরিচয় দেয়। মাত্র ১৯ বলে ২ ছক্কা ও ৪ চারে ৪৩ রান করে জয়ীর বেশে মাঠ ছাড়েন ২৫ বছরের আরিফুল।