ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়দের ক্যারিয়ার শেষ করবে অস্ট্রেলিয়া!

ক্রিকেট খেলাধুলা প্রধান খবর

বাজছে অ্যাশেজের ঘণ্টা, চলছে তীব্র বাক্য বিনিময়। বেশি আসছে অস্ট্রেলিয়ার কাছ থেকে। সেটা হবেই না বা কেন? চার বছর আগে যেভাবে হেনস্থা তারা করেছিল সফরকারী ইংল্যান্ডকে, সেই সুযোগ তারা তো নিতেই চাইবে। ২০১৩ সালের ওই অস্ট্রেলিয়া দলে থাকা তিনজন- স্টিভেন স্মিথ, ডেভিড ওয়ার্নার ও নাথান লিওন এবার ইংলিশদের মোকাবিলায় তরুণ সতীর্থদের অনুপ্রেরণা দেবেন। তাদেরই একজন  লিওন- ব্রিসবেনের গ্যাবায় ম্যাচ শুরুর দুইদিন আগে কঠিন এক হুমকি দিলেন ইংল্যান্ডকে।

মিচেল জনসনের আগুন ঝরা বলে ৫-০ তে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল সফরকারীরা। ৩৭টি উইকেট নিয়ে তিনি ওই সিরিজেই বিদায়ঘণ্টা বাজিয়ে দেন কয়েকজন সিনিয়র খেলোয়াড়ের। সিরিজের তিন ম্যাচ খেলেই অবসর নিয়েছিলেন ইংল্যান্ডের তারকা স্পিনার গ্রায়েম সোয়ান। দেশে ফেরার পর তো কেভিন পিটারসেনের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার হয়ে গেলো নির্বাসিত। জোনাথন ট্রট ও ম্যাট প্রায়র ওই অ্যাশেজ থেকে দেশে ফেরার পর খুব বেশি ম্যাচ খেলেননি। লিওনের আশা, চার বছর আগের মতো এবারও ইংল্যান্ডের কয়েকজন খেলোয়াড়ের ক্যারিয়ার শেষ করে দেবে অস্ট্রেলিয়া!

দেশে ফেরার কথাই চিন্তা করছিলেন প্রায়র

জনসনের বাঁহাতি পেসে ইংলিশ খেলোয়াড়রা কতটা ভীত ছিল, সেটা দেখার অভিজ্ঞতা বললেন লিওন, ‘আমি ওই দলে ছিলাম। অবিশ্বাস্য। দেখেছি মিচেল জনসন তাদের আতঙ্কিত করে রেখেছিল। আমরা জানতাম তাদের পরিণতি এমনই হবে। আশা করি আমরা ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করতে পারব।’

৩০ বছর বয়সী অফ স্পিনার আরও যোগ করেন, ‘আমি লেগ স্লিপে ছিলাম, দেখেছি কতটা ভয়ে ছিল তারা। পার্থে তৃতীয় টেস্ট শুরুর আগে ম্যাট প্রায়র দেশে ফিরে যেতে চেয়েছিল। অথচ সে সিনিয়র খেলোয়াড়। সে খুব ভয় পেয়েছিল। চার বছর আগের কথা। আশা করি এখন সে ভালো আছে।’

আউট জো রুট, এবার অস্ট্রেলিয়ায় ইংলিশ অধিনায়কের কঠিন পরীক্ষা

প্রায়রের সঙ্গে ট্রট, পিটারসেন ও সোয়ানের মতো পরিণতি এবার আরও কয়েকজনের কপালে জুটবে বিশ্বাস লিওনের। ইংলিশ অধিনায়ক জো রুটকে সরাসরি হুমকি দিলেন তিনি, ‘রুট গতবার শেষ ম্যাচে (সিডনি) বাদ পড়েছিল। আবারও সে বাদ পড়লে ভালো হবে। ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়রা অনেক ভয়ে থাকে, বিশেষ করে এখানে এলে। আর এবার একজন নয়, আমাদের দলে ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার বল করা দুজন বোলার আছে। আমরা কি কয়েকজনের ক্যারিয়ার শেষ করতে পারব? আশা করি পারব।’

অস্ট্রেলিয়ার পেস আক্রমণে আছেন মিচেল স্টার্ক, প্যাট কামিন্স ও জশ হ্যাজেলউড। আসছে সিরিজে জনসনের ছায়া লিওন দেখতে পাচ্ছেন স্টার্ক ও কামিন্সের মাঝে, ‘আমি নেটে তাদের মুখোমুখি হই না। কারণ তাদের গতি অনেক বেশি। বোলিংয়ে জনসনের চেয়েও গতি তুলতে পারে তারা। আমি দেখেছি (অধিনায়ক) স্টিভেন স্মিথও পিছু হটে; জনসন যেটা করতে পারতো না।

সূত্র: বিবিসি, ক্রিকবাজ