উদ্বোধনী ম্যাচে জয়ের জন্য সিলেটের চাই ১৩৭ রান

ক্রিকেট খেলাধুলা প্রধান খবর

এবারই প্রথম সিলেটে বসছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)। আসরের শুরুটাও হচ্ছে আসরের নতুন দল হচ্ছে সিলেট সিক্সার্সকে দিয়ে। আজ শনিবার টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে গত আসরের চ্যাম্পিয়ন ঢাকা ডায়নামাইটসের মুখোমুখি হয়েছে নাসির হোসেনের দল। এ ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় সিলেট।

প্রথমে ব্যাটিং করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৩৬ রান করেছে ঢাকা ডায়নামাইটস। সর্বোচ্চ ৩২ রান করেছেন কুমার সাঙ্গাকারা।

আজ উদ্বোধনী ম্যাচের প্রথম ওভারেই উইকেটের দেখা পায় সিলেট সিক্সার্স। নাসির হোসেন ফিরিয়ে দেন মেহেদী মারুফকে। এরপর অবশ্য লড়াইয়ে ফিরেছিল ঢাকা। এভিন লুইস ও কুমার সাঙ্গাকারা দারুণ ব্যাটিং করছিলেন। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ৫৫ রান যোগ করেন তাঁরা।

অষ্টম ওভারে সিলেটকে আবারও উইকেট এনে দেন নাসির। ফিরিয়ে দেন ভয়ঙ্কর এভিন লুইসকে। ২৪ বলে ২৬ রান করেন এই ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যান। দশম ওভারে কুমার সাঙ্গাকারাকে ফেরান লিয়াম প্লাঙ্কেট। ২৮ বলে ৩২ রান করেন সাঙ্গা।

১২তম ওভারে চতুর্থ ব্যাটসম্যান রান আউট হয়ে ফিরে যান মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। উইকেটে এসেই ছক্কা মেরে ঝড়ের আভাস দিচ্ছিলেন কাইরন পোলার্ড। তবে তাঁকে টিকতে দেননি আবুল হাসান রাজু। মাত্র ৭ বলে ১১ রান করে আউট হন পোলার্ড।

বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি অধিনায়ক সাকিব আল হাসানও। প্লাঙ্কেটের বলে সাব্বির রহমানকে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান ডায়নামাইটসের অধিনায়ক। ২১ বলে ২৩ রান করেন তিনি। এরপর আদিল রশিদকে ফেরান রাজু। ক্যামেরন দেলপোর্ট কিছুক্ষণ উইকেটে টিকলেও রানের চাকাটা খুব বেশি একটা ঘোরাতে পারেননি তিনি। শেষ পর্যন্ত রানে শেষ হয় ঢাকার ইনিংস। ২০ রান করেন দেলপোর্ট।

সিলেটের বোলারদের মধ্যে লিয়াম প্লাঙ্কেট ও আবুল হাসান রাজু নেন দুটি করে উইকেট।

একই ভেন্যুতে দিনের অন্য ম্যাচে লড়বে রংপুর রাইডার্স ও  রাজশাহী কিংস। ম্যাচটি শুরু  হবে সন্ধ্যা ৭টায়।

আসরের প্রথম আটটি ম্যাচ হবে এই সিলেটে। তাই সিলেট স্টেডিয়াম সেজেছে অনিন্দ্যসুন্দর রূপে। অবশ্য এ মাঠে ২০১৪ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বেশ কয়েকটি ম্যাচ হয়েছিল।

এবারই প্রথম বিপিএল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঢাকা ও চট্টগ্রামের বাইরের কোনো ভেন্যুতে। ২০১২ সালে বিপিএলের যাত্রা শুরু হয়।

আজ থেকে ৮ নভেম্বর পর্যন্ত প্রথম পর্বের লড়াই অনুষ্ঠিত হবে সিলেটে। এরপর বিপিএল ফিরবে রাজধানী ঢাকায়। ১১ থেকে ২১ নভেম্বর মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে, পরে ২৪ নভেম্বরে থেকে তৃতীয় পর্বটি চট্টগ্রামে। ২ থেকে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত  গ্রুপ পর্বের শেষ লড়াইটা হবে ঢাকায়। এরপর ৮, ১০ ও ১২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে শিরোপা জয়ের অন্তিম চারটি ম্যাচ। ১২ ডিসেম্বর ফাইনাল।