এক হাজার ডলারের আইফোন টেন বানাতে খরচ হয়েছিল কত?

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

আইফোন-৮ বিক্রি করে যা লাভ হয়েছিল, তার চেয়ে বেশি লাভ হয়েছে আইফোন টেন বিক্রি করে। বিশ্লেষকরা দেখিয়েছেন আইফোন টেন বানাতে আইফোন-৮ এর চেয়ে ২৫ শতাংশ বেশি খরচ করেছে অ্যাপল।

টেকএলএনসাইটের বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, আইফোন টেন বানাতে খরচ হয়েছে ৩৫৭.৫০ ডলার। এটি বিক্রি করা হচ্ছে ৯৯৯ ডলারে। অর্থাৎ মুনাফার পরিমাণ ৬৪ শতাংশ।

আইফোন-৮ বিক্রি হয় ৬৯৯ ডলারে। এখানে বিক্রয়মূল্যের ৫৯ শতাংশই অ্যাপলের লাভ।

বিশ্লেষণের ফলাফল বিস্ময়কর!

কারণ প্রযুক্তিনির্ভর পণ্য সময়ের সাথে সাথে অধিক লাভজনক হয়ে উঠছে। অথচ সেগুলো বানানোর খরচ ক্রমেই কমে আসছে।

আইফোন টেন একটি একেবারেই নতুন ধরনের পণ্য। কিন্তু আইফোন ৮ বাজারে এসেছিল আইফোন ৭-এর উন্নত সংস্করণ হিসেবে। আইফোন ৭ ছিল আইফোন ৬-এর উন্নত সংস্করণ।

টেকএলএনসাইটের বিশ্লেষণের ব্যাপারে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি অ্যাপল।

আইফোন টেন-এর নকশার কয়েকটি বৈশিষ্ট্যের কারনে দাম আগের ফোনগুলোর চেয়ে বেশি।

বিশেষ করে, এটির ৫.৮ ইঞ্চি স্ক্রিন ও তার আনুষঙ্গিক যন্ত্রাংশের দাম ৬৫.৫০ ডলার। আইফোন ৮-এর ৪.৭ ইঞ্চি স্ক্রিন বানানোর খরচ ছিল ৩৬ ডলার।

এর কারণ হচ্ছে আইফোন ৮-এ পুরাতন এলসিডি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হতো। কিন্তু, আইফোন টেন-এ ব্যবহার করা হচ্ছে ‘সুপার অ্যামোলেড’ প্রযুক্তি। এতে ফোনটি শুধু আরও পাতলাই হয়নি, এর পর্দায় এখন বিভিন্ন রঙ আরও ভালভাবে ফুটে ওঠে।

মূল কাঠামোতে স্টেইনলেস স্টিল ব্যবহার করার কারনেও আইফোন এক্স-এর দাম বেড়েছে। এতে খরচ হয়েছে ৩৬ ডলার। আইফোন ৮-এ ব্যবহার করা হতো অ্যালুমিনিয়ামের কাঠামো, যেটির খরচ ছিল ২১.৫০ ডলার।