এবারের বিপিএলের সর্বোচ্চ রানের রের্ড সিলেট সিক্সার

ক্রিকেট খেলাধুলা প্রধান খবর

সিলেট সিক্সারস এবারের বিপিএলে এখন পর্যন্ত রীতিমতো অপ্রতিরোধ্য। প্রথম দুটি ম্যাচই তারা জিতেছে। এখন পর্যন্ত সিলেটের সাফল্যের পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান যে তাদের ওপেনিং জুটির, সেটি বলাই বাহুল্য। উপুল থারাঙ্গা আর আন্দ্রে ফ্লেচারের ওপেনিং জুটি প্রতিটি ম্যাচেই সিলেটকে এনে দিয়েছে সুন্দর সূচনা। এই দুজনের গড়ে তোলা ভিতের ওপর দাঁড়িয়েই বিপিএলে এখনো পর্যন্ত সফল তারা। আজ রাজশাহী কিংসের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক জয়ে আবারও সেই ওপেনিং জুটির গড়া ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে ৬ উইকেটে ২০৫ রানের বড় সংগ্রহ গড়েছে এবারই প্রথম বিপিএলে নাম লেখানো দলটি।

প্রথম ১১ ওভারের মধ্যেই ১০০ রান। আবার শেষ ৫ ওভারে ৭০ রান। আর তাতে এবারের বিপিএলে সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটাই রাজশাহী কিংসের ওপর চাপিয়ে দিল দুরন্ত ফর্মে থাকা সিলেট সিক্সার্স। ৬ উইকেটে ২০৫ রান তুলে টানা তৃতীয় জয়ের কাজটা বুঝি এগিয়েই রাখলো নাসির হোসেনের দল।

টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই রাজশাহীর বোলারদের ওপর চড়াও ছিলেন সিলেটের দুই ওপেনার। থারাঙ্গা আর ফ্লেচারের ওপেনিং জুটি ১০.৩ ওভারে ১০১ রান তুলে মাতিয়ে দিয়েছিলেন সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম। থারাঙ্গা ৩৭ বলে ৫০ করেন। ফ্লেচার ৩০ বলে ৪৮। তারপরের যে ব্যাট ম্যান রা এসেছিলেন তারাও ঠিক ওপেনিং জুটির মত অপ্রতিরোধ্য ছিল।  ইনিংসের প্রথম ১০ ওভারে সিলেটের ব্যাটসম্যানদের দাপটে রাজশাহীর বোলাররা ছিলেন অসহায়। ফরহাদ রেজা, কেসরিক উইলিয়ামস, হোসেন আলী, মেহেদী হাসান মিরাজ, সামিত প্যাটেল কিংবা জেমস ফ্রাঙ্কলিন—সবাই ছিলের দিশেহারা। ঝড় বয়ে গেছে তরুণ পেসার হোসেন আলীর ওপর দিয়ে। ৩ ওভার বোলিং করে ৩৬ রান দিয়েছেন তিনি। মিরাজ ২ ওভারে ২০ রান দিয়ে নিজেকে সরিয়ে নেন বোলিং থেকে। দলের সেরা বোলার ছিলেন উইলিয়ামস। ৪ ওভার বল করে ৩৯ রান দিয়ে ২ উইকেট তাঁর। সামিত প্যাটেল ৩ ওভারে দিয়েছেন ২৪। ৪১ রানে ১ উইকেট পেয়েছেন ফরহাদ রেজা।
রাজশাহীকে বড় রানের পাহাড়ে ফেলে সিলেট জিতে নিল তাদের ধারাবাহিক তৃত্বীয় জয়।