এবার আসলো নতুন সামাজিক মাধ্যম ডব্লিউটি : সোশ্যাল

প্রডাক্ট রিভিউ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সফটওয়্যার

কোনো হৈচৈ না করে একেবারে চুপিসারে নতুন একটি সামাজিক মাধ্যম এনে হাজির করেছেন উইকিপিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা জিমি ওয়েলস। নতুন মাধ্যমটির নাম দিয়েছেন ‘ডব্লিউটি : সোশ্যাল’ (WT:Social)। ওয়েলস এই সামাজিক নেটওয়ার্কিং সাইট দিয়ে ফেইসবুক, টুইটারের ক্লিবাইট ও বিভ্রান্তিমূলক শিরোনামের বিরুদ্ধে লড়াই করতে চান। খবর আইএএনএস-এর। 

ওয়েলসের আনা সামাজিক মাধ্যমটি ব্যবহারকারীদের লিঙ্ক ও নিবন্ধ শেয়ার করতে সুযোগ দেবে। একই সঙ্গে এখানে ফেসবুকের মতো করে নিউজফিডে আলোচনারও সুযোগ রাখছে। আর এখানে বিষয় হিসেবে থাকছে রাজনীতি, প্রযুক্তিসহ অন্যান্য সব বিষয়ে মতামত ও ধারণা শেয়ার করা যাবে।

সাইটটিকে উইকিপিডিয়া থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন রাখছেন ওয়েলস। এটি নিয়ে নতুন করে কাজ করেছন তিনি। তবে ব্যবহারকারীরা চাইলে মাধ্যমটির জন্য অর্থ অনুদান দিতে পারবেন। আর সেখান থেকেই তিনি এর খরচ চালিয়ে নিতে চান। এমনকি ওয়েলস চান, বিজ্ঞাপন থেকে এই মাধ্যমটিকে দূরে রাখতে।

ওয়েলস বলেন, সামাজিক মাধ্যমে বিজ্ঞাপন খুবই সমস্যামূলক একটি বিষয়। এর ফলে লাখ লাখ নিম্নমানের কনটেন্ট চোখের সামনে দেখতে হয়।

ফেসবুক ও টুইটারের ক্ষেত্রে দেখা যায়, তাদের অ্যালগরিদম এমন ভাবে তৈরি যে সবচেয়ে বেশি লাইক, কমেন্ট পাওয়া পোস্টগুলো সবার উপরে দেখায়। ডব্লিউটি : সোশ্যাল এমন ব্যবস্থা করছে না। ফলে সর্বশেষ পোস্ট বা লিঙ্কই তারা সবার উপরে দেখাবে।

তবে নতুন করে মাধ্যমটি একটি আপভোট বাটন রাখছে, যে বাটনে কেউ চাইলে মানসম্মত পোস্টটিকে উপরে রাখতে সহায়তা করবে।

গত মাসে ডব্লিউটি : সোশ্যাল যাত্রা করেছে বলে জানিয়ে ওয়েলস জানান, ইতোমধ্যে তাদের ৫০ হাজার ব্যবহারকারী পূর্ণ হয়েছে। তারা চান এর ব্যবহারকারী খুব অল্প দিনের মধ্যে পাঁচ লাখ, পাঁচ কোটি এমনকি ৫০ কোটিতে পৌঁছাবে।

ইতোমধ্যে অন্তত ২০০ জন ব্যবহারকারী এতে অনুদান দিয়েছে সাইটটি চালানোর জন্য জানিয়ে ওয়েলস বলেন, মানুষ টাকা দিয়ে হলেও ভালো কনটেন্ট, মানসম্মত কনটেন্ট চান। এজন্যই মানুষজন নেটফ্লিক্স, স্পটিফাই, নিউ ইয়র্ক টাইমকে সাইবস্ক্রাইব করেন।

আমরা ‘ডব্লিউটি : সোশ্যাল’কে লাভজনক করতে চাই না, বরং আমরা চাই এটা সবার উপযোগী হোক, বলেন জিমি ওয়েলস।