এ কেমন শাস্তি পেতে হচ্ছে আশরাফুলকে!!

ক্রিকেট খেলাধুলা

নিয়ম অনুযায়ী ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর ক্রিকেটারদের লিগ শেষ হওয়ার আগেই ৭৫ ভাগ এবং লিগ শেষ হয়ে যাওয়ার এক মাসের মধ্যে শতভাগ পারিশ্রমিক পরিশোধ করতে হয়।

দুই সপ্তারও বেশি সময় হয়ে গেল ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ শেষ হয়েছে। কিন্তু কলাবাগান ক্রীড়া চক্রের ক্রিকেটার মোহাম্মদ আশরাফুলের অভিযোগ, তিনি সহ তিন ক্রিকেটার এখনো পারশ্রিমিক পাননি। অন্যদের ক্ষেত্রেও অনেকে এখন পর্যন্ত পেয়েছেন মাত্র ৫০ ভাগ পারিশ্রমিক।

কলাবাগান ক্রীড়া চক্রের হয়ে এবার পাঁচটি শতক হাঁকিয়েছেন আশরাফুল। কিন্তু দলটির দলগত পারফরম্যান্স মোটেও ভালো ছিল না। ১৩ ম্যাচে মাত্র ২ ম্যাচ জিতে সবার নিচে ছিল তারা।

ফলে পড়ে যায় রেলিগেশনের ফাঁদে। তাই ক্রিকেটারদের শাস্তি হিসেবে পারিশ্রমিক কাটার হুমকিও দেয় ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। আশরাফুল ছাড়া অন্য দুইজন হলেন জসীমউদ্দিন এবং সঞ্জিত সাহা।

এক বেসরকারি টেলিভিশনকে দেয়া সাক্ষাৎকারে আশরাফুল বলেন, ‘আমরা এখনো আমাদের প্রথম পেমেন্ট পাইনি। শেষ বছর থেকে কিন্তু আমাদের ক্রিকেটারদের পেমেন্ট অনেক কমানো হয়েছে। সেই জায়গা থেকেও যদি ক্রিকেটারদের পুরো পেমেন্ট না দেয়া হয় সেটি হতাশাজনক।’

এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করার জন্য সিসিডিএমকে চিঠি দিয়েছেন ক্রিকেটাররা। চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সিসিডিএম। শীঘ্রই চিঠি দেয়া হবে অভিযুক্ত ফ্র্যাঞ্চাইজি কলাবাগান ক্রীড়া চক্রকে। এরপরেও পারিশ্রমিক না পাওয়া গেলে ক্লাবের জন্য বরাদ্দ থাকা বিসিবির অনুদান থেকে ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক দেয়া হতে পারে। মোহাম্মদ আশরাফুলের পারিশ্রমিক ১৫ লক্ষ টাকা।

ডিপিএলে পারিশ্রমিক সংক্রান্ত জটিলতা মোটেও নতুন কোনো ঘটনা নয়। এমন নজির আরও রয়েছে। ২০১৫-১৬ মৌসুমে শতভাগ টাকা পরিশোধের সময়সীমা পার হয়ে গেলেও ব্রাদার্স ইউনিয়নের ক্রিকেটাররা পেয়েছিলেন মাত্র ৩০ ভাগ।

এ সমস্যা সমাধানে বিসিবির কার্যালয়েও গিয়েছিলেন ব্রাদার্স ইউনিয়নের ক্রিকেটাররা। অভিযোগ করেছিল বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজামউদ্দিন চৌধুরীর কাছে।

এবার প্লেয়ার্স বাই চয়েস পদ্ধতিতে দল সাজায় ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। ক্রিকেটারদের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক ছিল ৩৫ লক্ষ টাকা। অন্যদিকে সর্বনিম্ন ছিল ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা।