কণ্ঠশিল্পী মিলার কিছু প্রশ্ন ও প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ !!

বিনোদন

কণ্ঠশিল্পী মিলা ও তার স্বামী পারভেজ সানজারিকে নিয়ে বিয়ে, বিচ্ছেদ ও মামলা নিয়ে এখন একটি ধুম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। মিলা ধারাবাহিকভাবে তার ফেসবুক ভেরিফাইড পেজে একের পর এক তথ্য দিয়ে যাচ্ছেন তার স্বামীর বিরুদ্ধে। প্রথমে বিচ্ছেদ, তারপর আবার বিচ্ছেদে যাচ্ছেন না, এরপর বললেন তাকে তার স্বামীর বন্ধু-বান্ধব এবং পরিবারের লোকজন হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। অন্যদিকে, মিলার নির্যাতনের মামলায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পারভেজ আদালতের নির্দেশে জেল হাজতে রয়েছেন।

এবার নতুন করে আজ দুঘণ্টা আগে মিলা তার ভেরিফাইড পেজে আরও একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন, তার সেই স্ট্যাটাসটি পাঠকের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো।

‘ওয়েল, আমার উপর অন্যায় হয়েছে। এটি ছিল আমার পারিবারিক ইস্যু। এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে, আমি কার কাছে জাস্টিস নিয়ে ফাইট করছি? আমার স্বামী নাকি ইউ-এস বাংলা এয়ারলাইন্সের সাথে?

এ মামলায় আমাকে সরকার থেকে আইনজীবী প্রদান করা হয়েছে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর থেকে। অন্যদিকে আদালতের কাঠগড়ায় আসামীর পক্ষে আমাকে প্রশ্ন করে যাচ্ছে ইউ-এস বাংলা এয়ারলাইন্স প্রেরিত আইনজীবী। ওরা পাইলট হিসেবে সানজারির জামিনের জন্য লড়ছে। আমি একজন স্ত্রী হিসেবে আমার স্বামীর প্রতারণা ও অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে মামলা করতে বাধ্য হয়েছি, সেখানে ইউ-এস বাংলা তাদের পাইলটের অন্যায়কে সাপোর্ট করছে কী করে! তাছাড়া এ এয়ারলাইন্সের কিছু মহিলা কর্মীও সানজারীর সাথে যুক্ত ছিল অনৈতিক কাজে- এতে কীভাবে সাহায্য করছে একটি প্রতিষ্ঠান।

এর আগে যখন আমি ইউ-এস বাংলার পাইলট সানজারির স্ত্রী হিসেবে ইউ-এস বাংলার কর্তৃপক্ষের কাছে বলেছিলাম, সানজারিকে বুঝিয়ে হলেও যেন অনৈতিক কাজ থেকে বিরত রাখা হয়, তখন ইউ-এস বাংলা এয়ারলাইন্স থেকে আমাকে জানায় যে, তারা তাদের কোনো কর্মচারীর ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে মাথা ঘামায় না বেশি। এমপ্লয়িদের পার্সোনাল লাইফ নিয়ে নাকি ইন্টারফেয়ার করতে পারে না। তাহলে এখন কেন আদালতে আমার পারিবারিক মামলায় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের এডভোকেটের সাথে লড়তে হচ্ছে? তবে কি ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স একজন প্রতারক পাইলটের সব অপকর্মকে সাপোর্ট করে দেশের সকল পাইলটকে এ ধরনের অপকর্ম করার উৎসাহ দিচ্ছে? এ বিষয়ে আমি দেশের সকল নারীবাদী সংগঠন, মানবাধিকার সংস্থা ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’

উল্লেখ্য, মিলা তার স্বামীর ব্যাপারে যে কথাটি প্রথম থেকেই বলে আসছিলেন তা হলো পরকীয়া। আর স্বামীর পরকীয়ার বিরুদ্ধে কথা বলার কারণে মিলাকে তার স্বামীর হাতে মারও খেতে হয়েছিল বলে জানান এই শিল্পী। কিন্তু ঘটনা হচ্ছে পরকীয়ার ব্যাপারটি এখন পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। কারণ মিলা তার ভেরিফাইড পেজে শেয়ার করেছেন তার স্বামীর ফেসবুক চ্যাটিং এর স্ক্রিনশট। প্রায় ৮৬টি স্ক্রিনশট তিনি ফেসবুকে দিয়েছেন। পাশাপাশি তার স্বামীর সঙ্গে মোবাইলে যে কথোপকথন হয়েছে, সেই রেকডিং ও স্ক্রিনশট দিয়ে একটি ভিডিও আপলোড করেছেন সম্প্রতি এবং ভিডিওটির সঙ্গে মিলা একটি ক্যাপশনও দিয়েছিলেন।