কাটাপ্পা বিরিয়ানি, দেবসেনা পরোটা!!

বিনোদন

সাড়া জাগানো ভারতীয় সিনেমা বাহুবলি। ২০১৫ সালে মুক্তি পায় এ ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রথম সিনেমা বাহুবলি-দ্য বিগিনিং। চলতি বছর মুক্তি পায় বাহুবলি-দ্য কনক্লুশন। মুক্তির পর সিনেমাটি নিয়ে দর্শকের উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়ে। দৈনন্দিন ব্যবহার্য সামগ্রীতেও পড়ে এর ছায়া। বাজারে আসে বাহুবলি শাড়ি। তৈরি হয় বিজ্ঞাপন, এমনকি চিড়িয়াখানার বাঘ শাবকের নাম রাখা হয় এই সিনেমার নামে।

এবার রেস্তোরাঁতেও পড়েছে সিনেমাটির প্রভাব। ভারতের পুনের জিএম রোডের ‘হাউস অব পরোটা’ নামের রেস্তোরাঁয় মিলছে ‘বাহুবলি থালা’। যাতে রয়েছে এই সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্রের নামে সব ধরনের খাবার। যেখানে ক্রেতারা পাচ্ছেন-কাটাপ্পা বিরিয়ানি, দেবসেনা পরোটা, শিবগামী শাহী পাকওয়ান, ভাল্লালদেবা পাতিয়ালা লাচ্ছি এবং বিশাল আকৃতির বাহুবলি পরোটা। এক থালা খাবার ৫-৬ জন অনায়াসে খেতে পারবেন। ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।

অবশ্য খাবারের ব্যাপারে বেশ সৌখিন প্রভাস। বাহুবলি সিনেমার জন্য বিশেষ কসরত করতেন তিনি ও রানা দাগ্গুবতী। তবে চিট মিলে একসঙ্গে ১৫ পদের বিরিয়ানি খেতেন প্রভাস। যুক্তরাজ্যের ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউটে বাহুবলি-দ্য কনক্লুশনসিনেমার প্রদর্শনীতে উপস্থিত হয়ে এ মজার তথ্য জানান পরিচালক এসএস রাজামৌলি।

তিনি বলেছিলেন, ‘কী ধরনের ডায়েট অনুসরণ করবে আমি তাদের ওপর ছেড়ে দিতাম। আমি তাদের কোনো প্রকার চাপ সৃষ্টি করতাম না, তবে প্রভাসকে নিয়ে একটি মজার ঘটনা বলি- লাগাতার ডায়েটের পর রুটিনের অংশ হিসেবে মাসে একটি চিট মিল থাকত। ওই দিন তার খাবারের তালিকায় যা থাকত তা দেখার মতো। প্রায় ১০-১৫ পদের বিরিয়ানি, শুধু বিরিয়ানি- কোনো বাড়াবাড়ি কিছু বলছি না। আপনি ভাবতেও পারবেন না এ রকম বিরিয়ানি আছে। বিভিন্ন ধরনের মাছ, মুরগি, খাসির মাংস তো ছিলই। শুধু তাই নয়, তরকারি, ভাজিও থাকত। যে ধরনের খাবারের পরিবেশনা থাকত আপনি তা ভাবতেও পারবেন না।’