কাস্টিং কাউচ নিয়ে সানির সহজ স্বীকারোক্তি

বিনোদন

হার্ভে উইনস্টেইন। বিপ্লবের সূত্রপাত এই নামের বিরুদ্ধাচারেই। হলিউড প্রযোজকের বিরুদ্ধে প্রথম যৌন হেনস্তার অভিযোগ এনেছিলেন দুই সাংবাদিক। ফাঁস করে দিয়েছিলেন প্রায় তিন দশক ধরে চলতে থাকা তার কাস্টিং কাউচের (শারীরিক সম্পর্কের বিনিময়ে অভিনয়) কুকীর্তি।

প্রায় শ’খানেক অভিযোগ উঠেছে প্রযোজকের বিরুদ্ধে। একে একে মুখ খুলেছেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি, অ্যাশলে জুডরা।

হলিউডের আগুনের সেই আঁচ বলিউডেও এসে পৌঁছায়। যৌন হেনস্তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে থাকেন বিদ্যা বালান, রাধিকা আপ্তে, কাল্কি কোয়েচলিন, স্বরা ভাস্কর, প্রিয়াঙ্কা চোপড়ারা।

শুধু নায়িকারাই নন নায়করাও নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ্যে আনেন। রণবীর সিং, আয়ুষ্মান খুরানারা জানান কীভাবে তাদের সমলিঙ্গের সম্পর্কে জড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।

এবার কাস্টিং কাউচের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন সাবেক পর্নস্টার সানি লিওন। এক সাক্ষাৎকারে সানি জানান, বলিউডে অবশ্যই কাস্টিং কাউচ রয়েছে। তবে তিনি ভাগ্যবান যে এই প্ররোচনায় তাকে পা দিতে হয়নি। এমন কোনো প্রস্তাব তার কাছে আসেনি।

তিনি জানান, এর প্রধান কারণ তার স্বামী ড্যানিয়েল। ড্যানিয়েল সব সময় তাকে রক্ষা করেছেন। কিন্তু, যাদের এমন কোনো অভিভাবক নেই তারা অনেকেই এই ফাঁদে পা দিয়ে ফেলেন।

তবে এখন এই বিষয় নিয়ে অনেক বেশি সোচ্চার হচ্ছেন অভিনেত্রী-মডেলরা। প্রকাশ্যে #MeToo ক্যাম্পেইনে শামিল হয়েছেন তারা।

নিজেদের হেনস্তার কথা বলতে দ্বিধা করছেন না কেউ। এতে বেশ খুশি সানি। মানুষ যত এ বিষয়ে প্রকাশ্যে বিদ্রোহ করবে ততই কাস্টিং কাউচের প্রভাব কমবে। আর নতুনরাও বিশ্বাস নিয়ে পরিশ্রম করতে আগ্রহী হবেন।

সংবাদ প্রতিদিনের খবরে বলা হয়, সাবেক পর্নস্টার সানি জীবনে যা করেছেন নিজের জোরে করেছেন। পরিশ্রম করে অর্জন করেছেন সাফল্য। কোনো শর্টকাট রাস্তায় যাননি।

সানির বিশ্বাস, পরিশ্রমই সাফল্যের শেষ কথা। এর কোনো বিকল্প নেই।