খিচুড়ির গিনেস রেকর্ডকে চ্যালেঞ্জ করল আজমীর শরিফ দরগা!

আন্তর্জাতিক

এইতো গত শনিবার ভারতের দিল্লিতে একপাত্রে ৯১৮ কেজি খিচুড়ি রান্না করে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম তুলেছে দেশটি। আর রেকর্ডের ঠিক তিনদিন পরেই চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছে আজমীর শরিফ দরগা। এর আগে ভারতের জনপ্রিয় সেফ সঞ্জীব কাপুর দাবি করেছিলেন তার নেতৃত্বে ৫০ জনের একটি দল শনিবার একপাত্রে একসঙ্গে ৯১৮ কেজি খিচুড়ি রান্না করেছে। যেটি ওয়ার্ল্ড রেকর্ড। কিন্তু আজমীর শরিফের প্রধান সৈয়দ সালমান চিশতী জানিয়েছেন অন্য কথা। তিনি বলছেন, তাদের দরগায় গত ৪৫০ বছর ধরে প্রতিদিন দুটি ডেকচিতে ২৪০০ কেজির মতো ‘নিরামিষ মিষ্টি পোলাও’ রান্না করা হচ্ছে। আর এই নিরামিষ মিষ্টি পোলাও অনেকটা খিচুড়িরই মতো।

আজমীর শরিফ দরগার তরফ থেকে জানানো হয়েছে একদিন ৯১৮ কেজি খিচুড়ি রান্না করা আর প্রতিদিন ২৪০০ কেজি নিরামিষ পোলাও রান্নার মধ্যে অনেক ব্যবধান বয়েছে। তাই রেকর্ডের খাতায় যদি কারও নাম উঠা উচিৎ সেটি অজমীর শরিফের নাম।

তবে সালমান চিশতী জানায়, তাদের এখনই গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড কর্তৃপক্ষের কাছে রেকর্ডের জন্য আবেদন করার কোনো ইচ্ছা নেই। কারণ হিসেবে তিনি জানায়, ‘আমরা হলাম সুফি মতাবলম্বী’। প্রচারণার জন্য আমরা রেকর্ডের তালিকায় থাকতে চাই না। তবে হ্যাঁ, গত ৪৫০ বছর ধরে আজমীর শরিফের দরগায় প্রতিদিন ২৪০০ কেজি করে যে রান্না-বান্না হচ্ছে তার একটা স্বীকৃতি প্রয়োজন।

জানা গেছে, আজমীর শরিফে যে দুটি ডেকচিতে রান্না করা হয়, একটিতে ১৬০০ কেজি আর অন্যটিতে ৮০০ কেজি নিরামিষ মিষ্টি পোলাও রান্না করা হয়।

গত ৪ নভেম্বর শনিবার দিল্লির ইন্ডিয়া গেটের সামনে খিচুড়ি রান্নার আয়োজন করা হয়। জানা গেছে, যে পাত্রে খিচুড়ি রান্না করা হয়, ওই পাত্রের ওজন ছিল ১২০০ কেজি। খিচুড়ি মধ্যে চাল-ডাল ছাড়াও ভুট্টা বিভিন্ন রকম সবজি মেশানো হয়।

এই খিচুড়ি রান্না করতে ৫০০ কেজি চাল ও ৩০০ কেজি ডাল ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া পতঞ্জলির ১০০ কেজি ঘি ব্যবহার করা হয়েছে।

রান্না শেষে ক্রেন দিয়ে খিচুড়ির হাড়িটি মাপা হলে ওজন হয় ৯১৮ কেজি।

সূত্র: স্ক্রল.ইন