গবেষণায় জানা গেল প্রেম করলে সফলতা নিশ্চিত!

লাইফস্টাইল

এই ফলাফলগুলি “আই-থ্রো-উই” দৃষ্টিকোণকে সমর্থন করে, যার অর্থ হল অন্যদের সাথে সংযোগের সামাজিক প্রবণতা, এবং ব্যক্তি হিসাবে সংগ্রাম এবং উদ্দীপনা করার জন্য ব্যক্তিগত প্রবণতা, পারস্পরিক সমঝোতা একে অপরকে বর্ধিত ও বৃদ্ধি করতে পারে।

গবেষণায় দেখা গেছে যে, ব্যক্তিগত চিন্তা ভাবনার কারণে একজন ব্যক্তির বৈশিষ্ট্য বেশি উন্নীত হয় নাকি মানুষের সাথে অন্যদের ইতিবাচক সম্পর্কের ফলে ব্যক্তিত্ব প্রকাশিত হয়। গবেষকরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের নমুনা থেকে তথ্যগুলি ব্যবহার করেছেন।

ওহিও স্টেট ইউনিভার্সিটির পোস্টডোরলাল ফেলো, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গবেষণার প্রধান লেখক ডেভিড লি বলেন, মানুষ তার সম্পর্ক নিয়ে যতটা আত্মবিশ্বাসী, যতটা খুশি, সে ব্যক্তি তত বেশি সফল।

ইউনিভার্সিটি অব মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর অস্কার ইবাররা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিবৃতিতে বলেন, “অন্য কথায়, সম্পর্ক অপরিহার্য নয়, কিন্তু এটি একজন ব্যক্তির ব্যক্তিগত বিশ্বাস বৃদ্ধি বজায় রাখতে সহায়তা করে”।

এক পরীক্ষায়, প্রায় ২০০ জন অংশগ্রহণকারীকে এলোমেলোভাবে তিনটি সম্পর্ক শর্তের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল: সহায়ক, অ-সহায়ক এবং নিরপেক্ষ।

এর মাঝে দুইটি প্রধান শর্ত ছিল যে, তাদের জানাতে হবে এই পৃথিবীতে কোন এক ব্যক্তির সাথে সে আজীবন বেঁচে থাকতে ইচ্ছুক এবং সে কখনও তাকে ছেড়ে যাবে কিনা সে চিন্তায় ভুগে না! নিরপেক্ষ গোষ্ঠীদের জানাতে হবে, কার জন্য তাদের কোন অনুভূতি নেই।

অংশগ্রহণকারীরা একটি হাইপোথ্যাটিক্যাল দৃশ্যকল্পটি পড়েন যেখানে শর্ত ছিল উচ্চতর বেতনভোগী চাকরির সাথে বিশাল পরিবার অথবা মধ্য আয়ের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদী ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট।

এদের মাঝে যারা প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন, তাদের মাঝে ৬৫ শতাংশ মধ্যম আয়ের চাকরি বেঁছে নেয়। আর নিরপেক্ষ গোষ্ঠীর ৫০ শতাংশ এই মধ্যম আয় বেঁছে নেয়।

এই গবেষণার অর্থ হল, যার একজন সাপোর্ট করার মত সঙ্গী রয়েছে সে অল্পতেও সন্তুষ্ট। সে জীবনে বহুদূর যাবার প্রেরণা করতে পারে। কিন্তু যে একা, ব্যক্তিগত জীবনেও যার কোন সঙ্গী নেই, আত্মীয়স্বজন বা বন্ধুবান্ধব নেই সে সবসময় একাকীত্বে ভোগে। সে জীবনে বেশিদূর আগাতে পারে না, সফল ও হতে পারে না।

ফলাফলগুলি জাপানের সার্ভে অফ মিডল্ফ ডেভেলপমেন্টের তথ্যগুলির অনুরূপ ছিল, যা প্রায় ১০০০ জন লোকের নমুনা সংগ্রহ করেছিল।

এই লক্ষ্যগুলি ব্যক্তিগত লক্ষ্য পূরণের মাধ্যমে অন্যদের থেকে নিজেকে আলাদা করার গুরুত্বকে বোঝায়, তবে সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং সহায়ক সম্পর্ক গড়ে তোলার মাধ্যমে একটি ভাল গ্রুপ সদস্যও হতে পারে।