জনবহুল ৫ প্রাগৈতিহাসিক নগরী

হাজার বছরের পুরনো নগরীগুলোকে জনসংখ্যার অনুপাতে ভাগ করা সহজ কাজ নয়। একেক সূত্র ইতিহাস সম্পর্কে একেক রকম ধারণা দেয়। প্রাচীন নগরীগুলোর জনসংখ্যা সহজভাবে হিসাব করতে এখানে টারটিয়াস চ্যান্ডলারের ‘ফোর থাউজেন্ড ইয়ারস অব আরবান গ্রোথ’ বইয়ের তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে।

বইটিতে লেখক প্রাচীন নগরীগুলোর আদমশুমারি করে দেখিয়েছেন এবং ইতিহাসবিদরা এটি বেশ নির্ভরযোগ্য দলিল হিসেবে গণ্য করেন।

মেমফিস মিশর

মেমফিস মিশরের প্রাচীনতম রাজধানী। নীল নদের তীরে কায়রো শহরের ১৫ কিমি দক্ষিণে এর অবস্থান। খ্রিস্টপূর্ব ৪ হাজার সালের দিকে এ নগরী গড়ে উঠেছিল বলে ধারণা করা হয়। তবে মেমফিস সমৃদ্ধ হয়ে উঠে খ্রি. পূ. ৩ হাজার সালের দিকে, ফারাও রাজবংশের সূচনালগ্নে। ওই সময় এ নগরীতে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ বসবাস করতো। পরবর্তীতে মিশরের রাজধানী থিবসে চলে গেলেও মেমফিসের গুরুত্ব কমেনি। এখানে আছে মিশরের সবচেয়ে প্রাচীন পিরামিড।

ব্যাবিলয়ন, ইরাক

মেসোপটেমিয়ার শহর ব্যাবিলন দুই হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় শহর হিসাবে টিকে ছিল। বাগদাদের প্রায় ৮৫ কিলোমিটার দক্ষিণে বাবিল প্রদেশে এর ধ্বংসাবশেষ দেখতে পাওয়া যায়। ধারণা করা হয়, অ্যালেকজান্ডারের আমলে (৩৫৬ খ্রি. পূ.) এ শহরের জনসংখ্যা ছিল প্রায় দুই লাখ।

আলেক্সান্দ্রিয়া, মিশর

আলেক্সান্দ্রিয়ার গোড়াপত্তন করেন অ্যালেকজান্ডার দ্য গ্রেট। খুব দ্রুত এ নগরী শিক্ষা-সংস্কৃতি ও নির্মাণশিল্পে সমৃদ্ধশালী হয়ে ওঠে। ৩৩১ খ্রিস্টপূর্বে স্থাপিত এ নগরীর জনসংখ্যা দ্রুত তিন লাখ ছাড়িয়ে যায়। আলেক্সান্দ্রিয়া বর্তমানে মিশরের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর ও ৫০ লাখ মানুষের আবাস।

রোম, ইতালি

ভিক্টোরিয়ান লন্ডনের আগ পর্যন্ত রোম ছিল ইউরোপের সবচেয়ে বড় নগরী এবং সবচেয়ে বেশি মানুষের আবাস। ২৫ খ্রিস্টপূর্বের দিকে রোমের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ১০

Comments

comments

Leave A Reply

Your email address will not be published.