জিতেই চলছে পাকিস্তান

ক্রিকেট খেলাধুলা

শেষ ওভারে দরকার ১২ রান। ক্রিজে শাদাব খান ও ফাহিম আশরাফের মতো আনকোরা ব্যাটসম্যান। প্রথম বলেই ফাহিমকে ফেরালেন ভিকুম সঞ্জয়া। পরের বলে এক রান নিলেন শাদাব। তৃতীয় বলে হাসান আলী ক্যাচ ছেড়ে দেন গুনাথিলাকা। ম্যাচ ততক্ষণে অবশ্য শ্রীলঙ্কার পক্ষে। চতুর্থ বলে অসাধারণ এক ছয় মেরে পুরো সমীকরণই বদলে দিলেন শাদাব খান। পঞ্চম বলে দুই রান নিয়ে ম্যাচও জিতিয়ে দেন এই তরুণ স্পিনার। এই জয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই ২-০ ব্যবধানে টি-টোয়েন্টি সিরিজটা জিতে নিল পাকিস্তান। এর আগে ওয়ানডেতেও শ্রীলঙ্কাকে বিধ্বস্ত করেছিল স্বাগতিকরা।

সিরিজে টিকে থাকতে জয়ের কোনো বিকল্প ছিল না শ্রীলঙ্কার সামনে। আবুধাবিতে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দলকে ভালো সূচনা এনে দেন দিলশান মুনাবিরা ও দানুশকা গুনাথিলাকা। দলীয় ৪৩ রানে রান আউট হয়ে ফিরে আসেন মুনাবিরা (১৯)। এরপর দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ৫৩ রান তোলেন সাদিরা সামারাবিক্রম ও গুনাথিলাকা।

এই জুটিতে হাফ সেঞ্চুরিও পূর্ণ করেন গুনাথিলাকা। দলীয় রানটা ১০০ পেরুনোর পরই খেই হারিয়ে বসে শ্রীলঙ্কা। একের পর এক উইকেট হারিয়ে শেষ পর্যন্ত মাত্র ১২৪ রানই তুলতে সমর্থ হয় দলটি। গুনাথিলাকা ৫১ ও সামারাবিক্রম ৩২ রান ছাড়া আর কেউ বলার মতো স্কোর করতে পারেননি। পরপর তিন বলে ধানুস সানাকা, উদানা, মাহেলা উদাওয়াত্তেকে আউটি করে হ্যাটট্রিক করেন আশরাফ। টি-টোয়েন্টিতে দেশটির প্রথম বোলার হিসেবে হ্যাটট্রিক করলেন তিনি।

১২৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভালো ব্যাটিং করতে পারেনি পাকিস্তানও। ৫৫ রানেই চার উইকেট হারিয়ে বসে দলটি। তবে মোহাম্মদ হাফিজ ও সরফরাজ আহমেদের ব্যাটিং দৃঢ়তায় শেষ পর্যন্ত লড়াই অব্যাহত রাখে পাকিস্তান। শেষ দিকে শাদাব খানের ঝড়ে দুই উইকেটে ম্যাচটা জিতে নেয় সরফরাজের দল। ম্যাচসেরা হন শাদাব খান।