টানা দুই ম্যাচ হারার পর জয়ে ফিরল রিয়াল

খেলাধুলা ফুটবল

মার্কো আসেনসিও, ইসকো ও কাসেমিরোর গোলে ৩-০ ব্যবধানে জিতেছে প্রতিযোগিতার সফলতম দলটি।

লা লিগায় জিরোনা ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগে টটেনহ্যাম হটস্পারের কাছে টানা দুই ম্যাচ হেরে চাপে ছিল দুই টুর্নামেন্টের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। আন্তর্জাতিক বিরতির আগে সান্তিয়াগো বের্নাবেউয়ে অতিথিদের সহজেই হারিয়ে সেই চাপ কিছুটা কাটিয়ে উঠেছে দলটি।

গত মৌসুমে লা লিগার দুই ম্যাচেই রিয়ালের কাছ থেকে পয়েন্ট কেড়ে নিয়েছিল পালমাস। ঘরের মাঠে ২-২ ও বের্নাবেউয়ে ৩-৩ গোলে ড্র করেছিল দলটি। এবার সেই লড়াইয়ের ছিটেফোঁটাও ছিল না তাদের খেলায়।

খুব একটা সুযোগ তৈরি করতে পারেনি এই মৌসুমে আগের ছয় ম্যাচে টানা হারা পালমাস। রক্ষণেও খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি দলটি।

রোববার রাতে চতুর্থ মিনিটে প্রথম সুযোগ তৈরি করে রিয়াল। সব ধরনের প্রতিযোগিতায় আগের ২২ ম্যাচে মাত্র ৪ গোল করা করিম বেনজেমার ব্যর্থতায় সেবার এগিয়ে যেতে পারেনি স্বাগতিকেরা।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে একের পর এক গোল করে চলা ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো নিজের ছায়া হয়ে আছেন লা লিগায়। এ পর্যন্ত ৭ ম্যাচ খেলে গোল করেছেন মাত্র একটি। পালমাসের বিপক্ষে নষ্ট করেছেন বেশ কয়েকটি সুযোগ। তার প্রথমটি অষ্টাদশ মিনিটে। বুলেট গতির শট রাখতে পারেননি লক্ষ্যে।

২৯তম মিনিটে রোনালদোর বাঁ পায়ের বাঁকানো শট পোস্টে লেগে বাইরে চলে যায়। ছয় মিনিট পর দলের সবচেয়ে বড় এই তারকা মার্সেলোর ক্রসে গোলরক্ষক বরাবর হেড করে নষ্ট করেন আরেকটি সুযোগ।

৪১তম মিনিটে শেষ হয় স্বাগতিকদের গোলের অপেক্ষা। কাসেমিরোর হেড গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে পৌঁছায় জালে। চলতি মৌসুমে ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডারের এটি তৃতীয় গোল।

দ্বিতীয়ার্ধে ৫৬তম মিনিটে আসেনসিওর দুর্দান্ত গোলে ব্যবধান বাড়ায় রিয়াল। ফ্রি-কিকে রাউলের পাঞ্চ থেকে ডি-বক্সের মাথায় বল পান তরুণ ফরোয়ার্ড। তার বাঁ পায়ের শট জড়ায় জালে। ঠেকানোর কোনো সুযোগ ছিল না গোলরক্ষকের।

৬৯তম মিনিটে আবার গোল করার মতো জায়গা থেকে বাইরে মেরে সুযোগ নষ্ট করেন রোনালদো। ৭৮তম মিনিটে তার শট ব্যর্থ হয় ক্রসবারে লেগে। তার দুই প্রচেষ্টার মাঝে ৭৪তম মিনিটে ব্যবধান বাড়ান ইসকো। এই গোলে বড় অবদান রয়েছে রোনালদোর।

এই জয়ে আতলেতিকো মাদ্রিদকে গোল পার্থক্যে পেছনে ফেলে তিন নম্বরে উঠে এসেছে রিয়াল। ১১ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ২৩। ৩১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে বার্সেলোনা। ২৭ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে ভালেন্সিয়া।