তবে কি মুম্বাই এতক্ষণে আশা ছেড়ে দিয়েছে মুস্তাফিজকে নিয়ে??

ক্রিকেট খেলাধুলা

তীরে এসে তরী ডুবানো যেন নিয়ম হয়ে গেছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের। শেষ ওভারে ম্যাচ টেনে নিয়েও জিততে ব্যর্থ তিন বারের শিরোপা জয়ী দলটি।আর মুম্বাইয়ের হারে বার বার ভিলেন বনে যাচ্ছেন মোস্তাফিজুর রহমান। ম্যাচের শুরু থেকে বিপক্ষ দলের লাগাম টেনে ধরার কাজটা তাকে দিয়েই হয় কিন্তু শেষে আর লাগাম ধরে রাখাটা যেন দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে মোস্তাফিজের জন্য।চলতি আসরে ইতোমধ্যে তিন ম্যাচ খেলে ফেলেছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন দলটি। তবে হতাশ হতে হয়েছে সবকটি ম্যাচেই। জয় যেন অধরা স্বপ্ন মুম্বাইয়ের জন্য।

তাতে কি আর আশা ছেড়ে দেয়া যায়। এর আগে ২০১৫ আসরে শুরুতে টানা চার ম্যাচ হেরেও চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলো মুম্বাই। ভরসা হয়তো এখানেই।চলতি আসরেও টানা তিন ম্যাচ হেরেছে। স্লগ ওভারে ভরসার নাম হয়ে ওঠা মোস্তাফিজও পারছেন না। হতাশ হতে হচ্ছে বার বার। নায়ক হতে গিয়ে ভিলেন হয়ে উঠছেন বিখ্যাত এই কাটার মাস্টার।

আসরের প্রথম ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসের যখন শেষ ওভারে লাগে ৭ রান। বল হাতে মোস্তাফিজ প্রথম ৩ বলই দিয়েছিলেন ডট। পরের দুই বলে ৬ আর ৪ দিয়ে হতাশায় ডুবান মুম্বাইকে। ৩.৫ ওভারে ১ উইকেট নিয়ে দেন ৩৯ রান। পরের ম্যাচেই আবার চেনা রুপে মুস্তাফিজ, তবে হারতে হয়েছে দলকে। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে ১৯ তম ওভারে মাত্র ১ রান দিয়ে দুই উইকেট নিয়ে হিরো বনে যাওয়া মোস্তাফিজ তৃতীয় ম্যাচে এসে দিল্লির বিপক্ষে সেই ১৯তম ওভারে আসেন বল হাতে।

এই ওভারে দিল্লির যখন ১১ রান দরকার, মোস্তাফিজ তখন প্রথম দুই বলেই দেন ১০ রান। ক্রিকেট ঈশ্বর যেন মুখ ফিরিয়ে নিলেন দ্য ফিজের উপর থেকে। প্রথম দুই বলে ১০ রান দেয়ার পর টানা তিন বল ব্যাটেই লাগাতে দেননি জেসন রয়কে।

সুপার ওভারের আশা জাগিয়েও শেষ বলে এক রান দিয়ে ম্যাচ হারে মুম্বাই। তবে কি মুম্বাই এতক্ষণে আশা ছেড়ে দিয়েছে মোস্তাফিজকে নিয়ে? উত্তরটা পরের ম্যাচের জন্যই তোলা থাক। প্রত্যাশা এ ম্যাচেই নায়ক হয়ে ফিরুক মোস্তাফিজ।