তামিম ইকবালের দুইজন স্ত্রী!

ক্রিকেট খেলাধুলা

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা ওপেনার তামিম ইকবাল। বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী। ওয়ানডে-টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি তিন ফরমেটেই সেঞ্চুরি হাঁকানো একমাত্র ক্রিকেটার, যা পুরো ক্রিকেট বিশ্বেই আছে হাতে ঘোনা কয়েকজনের। ২০০৭ সালে বাংলাদেশের হয়ে অভিষেক হয় তামিমের।

সম্প্রতি জনপ্রিয় ক্রিকেট ওয়েবসাইট ইএসপিএন ক্রিকইনফোর সাথে ক্রিকেট ও ক্রিকেটের বাইরের জীবন নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। পাঠকদের জন্য সাক্ষাৎকারটি অনুবাদ করে তুলে ধরা হলো…

প্রিয় ইনিংস?
তামিম ইকবালঃ মিরপুর শেরেবাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১২৫ রানের ইনিংসটি।

প্রিয় শট?
তামিম ইকবালঃ কাভার ড্রাইভ।

কোন বোলারের করা স্পেল মোকাবেলা করতে কষ্ট হয়েছিল?

তামিম ইকবালঃ ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে জেরম টেলরের এক স্পেল খেলতে খুব সমস্যা হয়েছিল।

স্বপ্নের ব্যাটিং লাইন-আপ?
তামিম ইকবালঃ ম্যাথু হেইডেন, অ্যাডাম গিলক্রিস্ট, ভিরাট কোহলি, শচীন টেন্ডুলকার, রিকি পন্টিং? আমি রিকিকে উপরে নিচে পরিবর্তন করে খেলাবোচাইলে। আর জ্যাক ক্যালিস।

প্রিয় মাঠ?
তামিম ইকবালঃ মিরপুর। দেশের মাটিতে এই মাঠেই সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছিআমি। এখানে খেলতে বেশ স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি।

মাইলফলকে পৌঁছে সেরা উদযাপন কোনটি?
তামিম ইকবালঃ অনেকগুলোই আছে । তবে লর্ডস বেছে নিব।

ভক্তদের সঙ্গে কোন মজার ঘটনা?
তামিম ইকবালঃ জেমি সিডন্স যখন কোচ ছিল তখন মাশরাফি বিন মর্তুজার এক বড় ভক্ত তাকে চিঠি লিখেছিলেন আমাদেরকে উদ্দেশ্য করে। সে শোয়েব আখতারের চেয়েও জোরে বল করতে পারে, এমন কথা লিখেছিল চিঠিতে। সিডন্স চিঠির কথা বিশ্বাসকরে তাকে ডেকে বল করার সুযোগ দিয়েছিল। নেটে ব্যাটসম্যান ছিলাম আমি। তার লম্বা রানআপ দেখেই ঘাবড়ে গিয়েছিলাম। কিন্তুদুর্ভাগ্যজনক বলতে হয়, তার বলের গতি একজন স্পিনারের চেয়েও কম ছিল।

প্রিয় বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যান?
তামিম ইকবালঃ যুবরাজ সিং।

টেস্টের প্রথম উইকেট হিসেবে কাকে বেছে নিবেন?
তামিম ইকবালঃ টেস্টের প্রথম উইকেট? বেন স্টোকস।(হাসি) (টেস্টে পাঁচ ইনিংসে ও ওয়ানডেতে দুই ম্যাচে হাত ঘুরাতে দেখা গিয়েছিল। এখনো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে উইকেটের খাতা খুলেননি তিনি।

ফেভারিট সুপারহিরো কে এবং কেন?
তামিম ইকবালঃ সুপারম্যান। কারণ, আমি ছোট থাকতে প্রচুর গল্প শুনেছি সুপারম্যানের, তাই।

নিজের ব্যাপারে শোনা সবচেয়ে মজার কথা?
তামিম ইকবালঃ আমার নাকি দু’জন স্ত্রী রয়েছে। (হাসি)

দলে সবচেয়ে বিনোদন জোগায় কোন সতীর্থ? তামিম ইকবালঃ তাসকিন আহমেদ। বয়সও কম, বেশ মজার মানুষও।

প্রিয় খাবার?
তামিম ইকবালঃ পোলাও আর মুরগীর মাংস।

ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে প্রিয় জায়গা?
তামিম ইকবালঃ লন্ডন। জায়গাটাতে আমি বেশ উপভোগ করি।

যদি ক্রিকেটার না হতেন, তাহলে কি হতেন? তামিম ইকবালঃ সম্ভবত ব্যবসায়ী। ব্যাবসায়ীক পরিবার তাই ব্যবসাকেই পেশা হিসেবে বেছে নিতে হতো।