দেখেনিন তামিম ইকবালের কিছু অন্য রকম ম্যাজিক

ক্রিকেট খেলাধুলা

২০০৯ সালের ১৬ই আগস্ট জিম্বাবুয়ের বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাবে ৪র্থ ওডিয়াই তে মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে।
জিম্বাবুয়ে প্রথমে ব্যাট করে ৩১২ রানের পাহাড় গড়েন।
৩১৩ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে তামিম ঘাবড়ে না গিয়ে খেলেন নিজের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ১৩৮ বলে ১৫৪ রানের মহাকাব্যিক ইনিংস।
এই রান করতে গিয়ে মারেন ৭ টি চার ও ৬ টি ছক্কা।
শুধু নিজের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান করলেন না
দলকে বিজয়ের স্বাদ এনে দিলেন।
২. ১০০ বলে ১০৩ রান বিপক্ষ ইংল্যান্ড :
২০১০ সালের ২৭ মে সিরিজের প্রথম টেস্টে লন্ডনের লর্ডসে মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ।
ওই টেস্টের ২য় ইনিংস বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ক্রিকেটের মক্কায় সেঞ্চুরি করেন।
সেঞ্চুরি হাকিয়ে হাত উঁচিয়ে বলেছিলেন ওই ওনার্স বোর্ডে লিখে রাখো আমার নাম। ৯৪ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন।
যা লর্ডসে তৃতীয় দ্রুততম সেঞ্চুরি।
শেষ পর্যন্ত ১০০ বলে ১৫ চার ও ৩ ছক্কায় খেলেন ১০৩ রানের কাব্যিক ইনিংস।
৩.২৭৮ বলে ২০৬ রান বিপক্ষ পাকিস্তান : ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল খুলনার আবু নাসের স্টেডিয়ামে ১ম টেস্টে মুখোমুখি হয় দুই দল।এই টেস্টের ২য় ইনিংসে তামিম ইকবাল, ইমরুল কায়েস কে নিয়ে গড়েন বাংলাদেশের পক্ষে ২য় সর্বোচ্চ ৩১২ রানের জুটি।
বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে ২য় ডাবল সেঞ্চুরি আসে তার হাত ধরে। ১৭ চার,৭ ছক্কার সাহায্যে ২৭৮ বলে খেলেন ২০৬ রানের ইনিংস। ৪.৬৩ বলে ১০৩ রান বিপক্ষ ওমান: ২০১৬ সালের ১৩ই মার্চ টি-২০ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ভারতের ধর্মশালায় মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ এবং ওমান।
তামিম ইকবাল ব্যাট করতে নেমে খেলেন
৬৩ বলে ১০ চার ও ৫ ছয়ে খেলেন ১০৪ রানের মহাকাব্যিক ইনিংস ।
বাংলাদেশের হয়ে প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে তিন ফরম্যাটে সেঞ্চুরি করার গৌরব অর্জন করেন।
৫.১৪৭ বলে ১০৪ রান বিপক্ষ ইংল্যান্ড :
২০১৬ সালের ২৮ অক্টোবর সিরিজের ২য় টেস্টে মুখোমুখি হয় দুই দল।
তামিম খেলেন ১৪৭ বলে ১২ চারের সাহায্যে ১০৪ রানের ইনিংস ।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম বারের মত টেস্ট জয়ে এই ইনিংস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।