দেশিদের প্রথম প্রতিনিধি সাইফ

ক্রিকেট খেলাধুলা

এই তো কিছুদিন আগেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে তাঁর এক ওভারে ৫টি ছক্কা খেয়েছিলেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ডেভিড মিলারের সেই ৫ ছক্কার ক্ষত এখনো সারেনি। কিন্তু ফেনীর এই পেস বোলিং-অলরাউন্ডার বিপিএলের দ্বিতীয় ম্যাচে এসেই জানিয়ে দিলেন মিলারের মুখোমুখি হওয়া সেই ওভারটি ছিল নিতান্তই এক দুর্ঘটনা। বাংলাদেশের ক্রিকেটে পেস বোলিং-অলরাউন্ডারের ভূমিকায় দারুণ অস্ত্র হয়ে উঠছেন তিনি।

সিলেট সিক্সারসের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে বলার মতো কিছু করতে পারেননি। ২ ওভারের বেশি বল করার সুযোগ পাননি। ব্যাট হাতে নেমে অপরাজিত ছিলেন ১ রানে। আজ চাপের মুখে ২৪ রানে ৩ উইকেট নিয়ে কুমিল্লার জয়ে রেখেছেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
মাত্র ১১.৫ ওভারেই ১০১ রান তুলে ফেলা চিটাগং ভাইকিংসের সংগ্রহটা বড় হতেই পারত। সেটি যে হয়নি, সে জন্য সাইফউদ্দিনকে কৃতিত্ব দিতেই হচ্ছে। ৩৩ বলে ৩৮ রান করা সৌম্যকে ফিরিয়েছেন প্রথমে। এরপর এনামুল হককে বিদায় করে চিটাগংয়ের মিডল অর্ডারে মূল ধাক্কাটা দিয়েছেন তিনিই। তাঁর তৃতীয় উইকেট সোহরাওয়ার্দী শুভ।
বিপিএল শুরুর পর থেকে প্রতিটি ম্যাচেই ‘ম্যাচ সেরা’র পুরস্কার গেছে বিদেশি ক্রিকেটারদের কাছে। আজ সাইফ পুরস্কারটি পেয়ে যেন একটা খরা কাটালেন। পরের ম্যাচগুলোতে দেশি ক্রিকেটাররা সাইফের দেখানো পথে হাঁটলেই কিন্তু বিপিএলের আয়োজনটা সফল হয়।