ধোনির পাশে গাভাস্কার-শেবাগ

ক্রিকেট খেলাধুলা

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতেই ভারত সিরিজ জিতে যেতে পারত। বিরাট কোহলির ব্যাটে সে পথে অনেক দূর এগিয়ে গিয়েও শেষ পর্যন্ত সঙ্গী হয়েছে হার। কিন্তু সেই হারের জন্য সাবেক অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনিকে দায়ী করার একটা প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। ভিভিএস লক্ষ্মণ ও অজিত আগারকার তো ধোনিকে টি-টোয়েন্টি থেকেই সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে ধোনির বাজে সময়ে তাঁর পক্ষে ব্যাট করতে দাঁড়িয়েছেন বীরেন্দর শেবাগ।

দলে ধোনিকে নিজের দায়িত্বটা ভালোমতো বুঝে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সাবেক এই সতীর্থ, ‘তাঁকে রান তোলার গতি বাড়াতে হবে। প্রতি বলেই রান করতে হবে। ব্যাপারটা তাঁকে বোঝানোর দায়িত্ব টিম ম্যানেজমেন্টের।’

৩৭ বলে ৪৯ রান করেছিলেন সাবেক এই অধিনায়ক। কিন্তু কোহলি ক্রিজে থাকাকালে তাঁর সঙ্গে স্ট্রাইক বদলে এগিয়ে যেতে ব্যর্থ হয়েছেন। ব্যাপারটা লক্ষ করেই ধোনিকে টি-টোয়েন্টি ছাড়ার পরামর্শ দিয়েছেন লক্ষ্মণ। আগারকার তো একটু আগ বাড়িয়ে বলেই দিয়েছেন, ভারতীয় দল টি-টোয়েন্টিতে ধোনিকে নাকি ‘মিস’ করবে না। কিন্তু শেবাগের মতে, ‘ধোনিকে এখনো ভারতীয় দলে দরকার, এমনকি টি-টোয়েন্টিতেও। সময় হলে সে সরে যাবে। তার জন্য কখনো কোনো উঠতি খেলোয়াড়কে আটকে থাকতে হবে না।’

ভীষণ চটেছেন সুনীল গাভাস্কারও। তাঁর মতে, কোনো খেলোয়াড়ের বয়স ৩০ পেরোলেই সবাই তাঁর ভুল খুঁজতে বসে পড়ে। যেন তাঁকে জোর করেই অবসরে পাঠানো হবে। তবে লক্ষ্মণ-আগারকারকে সরাসরি কিছু বলেননি গাভাস্কার। ভারতীয় ক্রিকেটের প্রথম ‘লিটল মাস্টার’ এনডিটিভিকে বলেছেন, ‘আমরা ৩০-এর কমবয়সী খেলোয়াড়দের ভুলগুলো এড়িয়ে যাই। হার্দিক পান্ডিয়া গুগলি বুঝতে না পেরে আউট হয়েছে, কিন্তু আমরা তা দেখব না। আমরা এটাও দেখব না যে ওপেনাররা ভালো শুরু এনে দিতে পারেনি। আমরা শুধু ধোনিকেই দোষ দেব। এটা খুবই দুঃখজনক, আর এটাই ভারত।’ সূত্র: জিনিউজ, এনডিটিভি।