নারী হয়রানির মামলায় জিতলেন গেইল

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলাধুলা

বড় বড় ছক্কা মেরে দর্শকদের আনন্দ দেওয়াই তার কাজ। মানুষ হিসেবেও ক্রিস গেইল এক আমুদে চরিত্র। কিন্তু সেই আমুদে গেইল গেল কটা দিন না জানি কি বিষাদে কাটিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ার মিডিয়া গ্রুপ ফেয়ারফ্যাক্স মিডিয়ার বিপক্ষে মামলায় লড়ছিলেন তিনি। মিডিয়া গ্রুপটির তিনটি সংবাদ মাধ্যমে গেইলের বিরুদ্ধে চরম এক অভিযোগ প্রকাশিত হয়।

২০১৫ বিশ্বকাপ চলাকালে ড্রেসিংরুমে একজন নারী ম্যাসাজকারীকে গেইল নিজের বিশেষ অঙ্গ দেখিয়েছিলেন বলে খবর প্রকাশ হয়। গেইল সেই খবর নিয়ে বলেছিলেন, ‘আমার জীবনে কোন বিষয়ে কখনো এত কষ্ট পাই নি। এই মামলায় আমার লড়তেই হবে। আমি এই অপবাদ থেকে মুক্তি চাই।’ গেইল সত্যিই মুক্তি পেলেন অপবাদ থেকে। তার দায়ের করা মামহানির মামলার রায় পক্ষে গেছে এই ক্যারিয়ানের।

তিন জন নারী ও একজন পুরুষ বিচারক নিয়ে গঠিত বেঞ্চ গেইলের পক্ষে রায় দেন। জানানো হয়, লিয়েন রাসেল নামের যে নারী ম্যাসেজ কর্মীকে জড়িয়ে এই অভিযোগ তা ভিত্তিহীন। এবং অস্ট্রেলিয়ার সংবাদ মাধ্যম সম্পূর্ন ভিত্তিহীন তথ্যে প্ররোচিত হয়ে এমন সংবাদ প্রকাশ করেছে। ২০১৬ সালের প্রথম দিকে সিডনি মর্নিং হেরাল্ড, দি এজ ও দি ক্যানবেরা টাইমসে গেইলকে নিয়ে সিরিজ সংবাদটি প্রকাশিত হয়। ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ওভালে গেইল এমন কান্ড ঘটিয়েছিলেন বলে দাবি করেছিল সংবাদ মাধ্যমগুলো।

মামলায় জয় পেয়ে গেইল খুশিতে আত্মহারা যেন। সোমবার সিডনিতে আদালত থেকে বের হয়ে তার ভালোলগা প্রকাশেই সেটি ফুটে উঠে পুরোপুরি, ‘আমি জ্যামাইকা থেকে এত দূরে এসেছি যাতে নিজেকে রক্ষা করতে পারি। এবং দিন শেষে আমি খুব খুশি। আমি লিগাল টিমকে ধন্যবাদ জানাই, তারা তাদের দায়িত্ব দারুণ ভাবে সম্পূন্ন করেছে।’

সূত্র: টিএআর