নিউজিল্যান্ডের মসজিদে খ্রিষ্টান সন্ত্রাসীর হামলার আদ্যপান্ত-(ভিডিও)

আন্তর্জাতিক

বন্দুকধারীর নাম ব্রেন্টন ট্যারেন্ট।
অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক।
ধর্মে খৃষ্টান।
তার গায়ে ছিল মিলিটারি পোশাক। হাতে ছিল অটো বন্দুক। বন্দুক চালানোর সময় মিউজিক বাজছিল। গানের নাম “রিমোভ কেবাব”।মাথা ছিল একদম কোল্ড।
একটি করে গুলি করে সবাইকে মাটিতে ফেলে দিয়ে কাছাকাছি গিয়ে উপর্যুপরি মোট ২০৫ বার গুলি করে। ৬ মিনিটের মিশন শেষ করে চলে যাচ্ছিল তখনই রক্তাক্ত এক মহিলার “হেল্প মি” চিৎকার শুনে পিছনে ফিরে। মহিলার খুব কাছে যায়। করুণ আর্তচিৎকার তাকে একটুও বিচলিত করেনি। মহিলার ঠিক মগজ বরাবর গুলি করে। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর গাড়িতে উঠে। পুরো দৃশ্যটি ফেসবুক পেইজ থেকে সে লাইভ করে। টুইটারেও আপলোড করে।
আসুন আরেকটু ভিতরে যাই…
এই খ্রিষ্টান সন্ত্রাসী নিরীহ মুসলমানদের হত্যা করার জন্যে যেসব অস্ত্র ব্যবহার করেছিলো, সে অস্ত্রগুলোর উপর যাদের নাম লেখা, তারা ঐতিহাসিকভাবে মুসলিমদের শত্রু ও হত্যাকারী ছিলো। অর্থাৎ, আজকের খ্রিস্টান সন্ত্রাসীটি নিজেকে ঐতিহাসিক খ্রিস্টান সন্ত্রাসীদের উত্তরাধিকারী হিসেবে জানান দিয়েছে।
এখানে ছবির মাঝে যে নামগুলো রয়েছে, তার একটি নাম হলো – মিলস অভিলিচ। কসোভা যুদ্ধে মিলস অভিলিচ উসমানী খেলাফতের সুলতান মুরাদকে হত্যা করেছিলো।
অন্য জায়গায় লিখা, “ভিয়েনা ১৬৮৩”। এটাও মুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ছিলো।
সুস্পষ্ট ভাবেই বুঝা যাচ্ছে, নিউজিল্যান্ডের আজকের হামলাটি নিরীহ মুসলিমদের বিরুদ্ধে একটি পরিকল্পিত ‘জেনোসাইড’ বা গণহত্যার ছিলো। এটি কোনো বিচ্ছিন্ন হামলা ছিলো না, বরং ঐতিহাসিক ভাবে মুসলিমদের উপর হামলার একটি ধারাবাহিকতার অংশ হিসাবে আজকের হামলাটি হয়েছে।সুতরাং আমি চিৎকার করে হাজারবার লাখবার নয় কোটি কোটিবার বলবো সে খ্রিস্টান সন্ত্রাসী সন্ত্রাসী সন্ত্রাসী….

আমরা মুসলমানরা আজ খোদার দেয়া জিহাদকে ছেড়ে দিয়েছি যেই জন্য কাফের আমাদের পাখির মতো মারছে
তারা মুসলমানদের বিরুদ্ধে ক্রুসেড চালিয়ে যাচ্ছে তাই প্রতিটি মুসলমানের জন্য উচিত কাফেরের বিরুদ্ধে জিহাদ শুরু করা….

!!!!নিউজিল্যান্ডের মসজিদে হামলার ইতিবৃত্ত!!!!বন্দুকধারীর নাম ব্রেন্টন ট্যারেন্ট।অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক।ধর্মে খৃষ্টান। তার গায়ে ছিল মিলিটারি পোশাক। হাতে ছিল অটো বন্দুক। বন্দুক চালানোর সময় মিউজিক বাজছিল। গানের নাম “রিমোভ কেবাব”।মাথা ছিল একদম কোল্ড।একটি করে গুলি করে সবাইকে মাটিতে ফেলে দিয়ে কাছাকাছি গিয়ে উপর্যুপরি মোট ২০৫ বার গুলি করে। ৬ মিনিটের মিশন শেষ করে চলে যাচ্ছিল তখনই রক্তাক্ত এক মহিলার “হেল্প মি” চিৎকার শুনে পিছনে ফিরে। মহিলার খুব কাছে যায়। করুণ আর্তচিৎকার তাকে একটুও বিচলিত করেনি। মহিলার ঠিক মগজ বরাবর গুলি করে। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর গাড়িতে উঠে। পুরো দৃশ্যটি ফেসবুক পেইজ থেকে সে লাইভ করে। টুইটারেও আপলোড করে।আসুন আরেকটু ভিতরে যাই… এই খ্রিষ্টান সন্ত্রাসী নিরীহ মুসলমানদের হত্যা করার জন্যে যেসব অস্ত্র ব্যবহার করেছিলো, সে অস্ত্রগুলোর উপর যাদের নাম লেখা, তারা ঐতিহাসিকভাবে মুসলিমদের শত্রু ও হত্যাকারী ছিলো। অর্থাৎ, আজকের খ্রিস্টান সন্ত্রাসীটি নিজেকে ঐতিহাসিক খ্রিস্টান সন্ত্রাসীদের উত্তরাধিকারী হিসেবে জানান দিয়েছে।এখানে ছবির মাঝে যে নামগুলো রয়েছে, তার একটি নাম হলো – মিলস অভিলিচ। কসোভা যুদ্ধে মিলস অভিলিচ উসমানী খেলাফতের সুলতান মুরাদকে হত্যা করেছিলো।অন্য জায়গায় লিখা, "ভিয়েনা ১৬৮৩"। এটাও মুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ছিলো।সুস্পষ্ট ভাবেই বুঝা যাচ্ছে, নিউজিল্যান্ডের আজকের হামলাটি নিরীহ মুসলিমদের বিরুদ্ধে একটি পরিকল্পিত 'জেনোসাইড' বা গণহত্যার ছিলো। এটি কোনো বিচ্ছিন্ন হামলা ছিলো না, বরং ঐতিহাসিক ভাবে মুসলিমদের উপর হামলার একটি ধারাবাহিকতার অংশ হিসাবে আজকের হামলাটি হয়েছে।সুতরাং আমি চিৎকার করে হাজারবার লাখবার নয় কোটি কোটিবার বলবো সে খ্রিস্টান সন্ত্রাসী সন্ত্রাসী সন্ত্রাসী….আমরা মুসলমানরা আজ খোদার দেয়া জিহাদকে ছেড়ে দিয়েছি যেই জন্য কাফের আমাদের পাখির মতো মারছে তারা মুসলমানদের বিরুদ্ধে ক্রুসেড চালিয়ে যাচ্ছে তাই প্রতিটি মুসলমানের জন্য উচিত কাফেরের বিরুদ্ধে জিহাদ শুরু করা….

Gepostet von আত্ তাক্বওয়া নৈশ মাদ্রাসা am Freitag, 15. März 2019