নির্বাচনের দিন শাকিবকে মেরেছিলাম তাই বহিস্কার হতে হয়

অন্যান্য আলোচিত সংবাদ ঢালিউড বিনোদন

কয়েকদিন পরেই নির্বাচন হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির। এই নির্বাচনকে ঘিরে ফিল্মপাড়ায় চলছে উৎসব। এর মধ্যে আছে দ্বন্দ্বও। বিদায়ি কমিটির সভাপতি মিশা সওদাগর ও সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খানের বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে কয়েকজন সদস্যকে বাদ দেওয়া ও অনেক অযোগ্যকে সদস্য করে নেওয়ার অভিযোগ তুলে পাঁচদিনের আল্টিমেটাম দিয়েছেন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সদস্য ফাইট ডিরেক্টর মো. শেখ শামীম।

শিল্পী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নামে গত বৃহস্পতিবার উকিল নোটিশ পাঠান তিনি।

শামীম জানান, নব্বই দশক থেকে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সদস্য তিনি। তখন থেকে তিনি সমিতির নির্বাচনে নিয়মিত ভোট দিয়ে আসছেন। কিন্তু ২০১৭ সালে যখন তিনি শিল্পী সমিতির চাঁদা দিতে যান তখন তিনি জানতে পারেন যে, তার সদস্যপদ নেই। শাকিব খান ও অমিত হাসান ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় সদস্য তালিকা থেকে তার নাম ফেলে দেয়া হয়।

এ বিষয়ে সময় সংবাদকে শামীম বলেন, শাকিব খান নিজের ক্ষমতা দেখিয়ে আমাকে বাদ দিয়েছিলেন। তার সঙ্গে আমার নিজস্ব সমস্যা ছিল, আক্রোশ ছিল। শাকিব খানের সঙ্গে আমার হায়দ্রাবাদে মারামারি হয়েছিল। এছাড়া নির্বাচনের সময়ও তার গায়ে আমি হাত তুলেছিলাম এবং এই নিয়ে তিনি মামলাও করেছিলেন। সেই আক্রোশ থেকেই শাকিব ক্ষমতা দেখিয়ে আমাকে বাদ দিয়েছিলেন। কিন্তু এর পরবর্তীতে যারা এল তারা কেন আমাকে আবার বহাল তবিয়তে নিল না? তাদের তো উচিত ছিল তাদের কর্মীকে ফিরিয়ে নেবার।

এদিকে নোটিশের প্রাপ্তি স্বীকার করেননি চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান। তিনি বলেন আমরা কোনও উকিল নোটিশ পাইনি। উকিল নোটিশ হাতে পেলে বুঝতে পারবো তিনি কি কারণ ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

জায়েদ খান সময় সংবাদকে জানান, শেখ শামীমের সদস্যপদ বাতিল হয় সাত-আট বছর আগে। তিনি শিল্পী সমিতির সদস্য নন। তাই এখন উকিল নোটিশ পাঠানো ভিত্তিহীন।  আর তাই যদি হয়ে থাকে তবে সেটা হচ্ছে আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার মাত্র।