নেহা কাক্কর স্কুলে যাচ্ছেন!

বলিউড বিনোদন

বলিউডের এ সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নেহা কাক্করের বয়স কত, জানতে চান? ৩০ বছর। এরই মধ্যে তিনি নয়াদিল্লির উত্তমনগরের নিউ হলি পাবলিক স্কুলে পড়াশোনা করেছেন। যখন তিনি ‘ইন্ডিয়ান আইডল’ প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় সিজনে অংশ নেন, তখন তিনি ছিলেন ওই স্কুলের ইলেভেন ক্লাসের ছাত্রী। কিন্তু এখন শোনা যাচ্ছে, তিনি নাকি আবার স্কুলে যাচ্ছেন। ঠিক শুনছেন, নেহা কাক্কর স্কুলের ড্রেস পরে ক্লাসরুমে গেছেন। তেমনটাই দেখা গেছে ‘কুচ কুচ’ মিউজিক ভিডিওতে। সেখানে দেখা গেছে, নেহা কাক্করের পরনে স্কুল ড্রেস, ক্লাসরুমে ঢুকলেন, ক্লাসের এক ছাত্রের সঙ্গে চোখে চোখে তাঁর ইশারাও হলো।

স্কুলছাত্রী নেহাকে দেখে দর্শক দারুণ আনন্দ পেয়েছেন। ভাবছেন নেহা কাক্কর নিজের গানের মিউজিক ভিডিওতে এমনটা করেছেন? একদম না। এখানে কিন্তু নেহা কাক্কর সংগীতশিল্পী নন, অভিনয়শিল্পী। ‘কুচ কুচ’ গানটি গেয়েছেন টনি কাক্কর, নেহা কাক্করের ভাই। নিজের ভাইয়ের জন্য এতটুকু তো তিনি করতেই পারেন।

টনি কাক্করের নতুন গানের মিউজিক ভিডিওতে নেহা কাক্করকে দেখা গেছে কয়েক ঝলক। কিন্তু তাতেই মাত করে দিয়েছেন তিনি। দর্শকদের মতে, এখানে তাঁকে যথেষ্ট ‘হট’ মনে হয়েছে। ‘কুচ কুচ’ গানের মিউজিক ভিডিওর ভাবনা টনি কাক্কর আর তাঁর স্কুলজীবনের নতুন প্রেমকে ঘিরে। মিউজিক ভিডিওতে টনি নিজেও অভিনয় করেছেন। তাঁর সঙ্গে আছেন ছোট পর্দার তারকা অঙ্কিতা শর্মা। আরও আছেন ইন্টারনেট সেলিব্রিটি প্রিয়াঙ্কা শর্মা, আশিকা ভাটিয়া ও মেলভিন লুইস।

সামনে ভালোবাসা দিবস। তার আগে ৪ ফেব্রুয়ারি ‘কুচ কুচ’ গানটি ইউটিউবে দেশি মিউজিক ফ্যাক্টরি চ্যানেলে প্রকাশ করা হয়। এ পর্যন্ত গানটি দেখা হয়েছে প্রায় দুই কোটিবার। গানের কথা লিখেছেন, সুর করেছেন এবং সংগীত পরিচালনা করেছেন টনি কাক্কর।

এদিকে গজেন্দ্র ভর্মার ‘তেরা ঘাটা’ গানটি নতুন করে গেয়েছেন নেহা কাক্কর। হিমাংশ কোহলির সঙ্গে প্রেম ভেঙে যাওয়ার পর খুব ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। কিন্তু ‘তেরা ঘাটা’ গানটি দিয়ে নেহা কাক্কর দারুণভাবে ফিরে এসেছেন। গত ৩১ জানুয়ারি নিজের ইউটিউব চ্যানেলে তিনি গানটি প্রকাশ করেছেন। নেহা কাক্করের গাওয়া গানটির মিউজিক ভিডিও আজ শনিবার দুপুর পর্যন্ত দেখা হয়েছে ৩ কোটি ৩৪ লাখ ৮ হাজার ৩৬২ বার।

‘তেরা ঘাটা’ গানে নেহা কাক্করকে পাওয়া গেছে দারুণ হাসিখুশি মেজাজে। যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী মনে হয়েছে তাঁকে। প্রেমিক হিমাংশ কোহলির সঙ্গে প্রেম ভেঙে যাওয়ার পর মুষড়ে পড়েছিলেন নেহা কাক্কর। মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হন, পাশাপাশি হতাশায় ভুগেছেন। অনেক দিন সেই প্রেমের কথা ভুলতে পারেননি। যখনই মনে হয়েছে, ডুকরে কেঁদে উঠেছেন। ব্যাপারটি একসময় গুরুতর পর্যায়ে পৌঁছে যায়। পরিবারের লোকজন নেহা কাক্করকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। তিনি নিজেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘হ্যাঁ, আমি হতাশায় ভুগছি।’