পথ হারিয়ে পুরোনো বন্ধুর খোঁজে সৌম্য!

ক্রিকেট খেলাধুলা

২০১৫ বিশ্বকাপের দল ঘোষনার ঠিক আগে সোশাল মিডিয়া, প্রিন্ট মিন্ডিয়া, ইলেকট্রিক মিডিয়া সরগরম। দলে জায়গা হবে কার? সৌম্য সরকার না প্রিমিয়ার লিগে দারুন পারফর্ম করা লিটন দাসের? তবে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড কন্ডিশন মাথায় রেখা নির্বাচক’দের ভাবনায় ছিলো কোনভাবে একজন পেস বোলিং অলরাউন্ডার’কে দলে জায়গা দেয়া যায় কিনা। সেইদিক দিয়ে সৌম্য ছিলো পুরোপুরি মানানসই। যদিও তার আগেই জিম্বাবুয়ে’র বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে বাইশ গজে পা পরে ড্যাশিং সৌমের।

অভিষেক ম্যাচে ৩ নাম্বার পজিশনে ব্যাট করতে নেমে ১৮ বলে করেন ২০ রান। ছোট্ট ঐ ইনিংস’টাই জানান দিয়েছিলো নতুন কিছুর। সেই থেকে প্রথম মৌসুমে সৌম্য ছিলেন দূর্দান্ত, আউটস্ট্যান্ডিং, মাইন্ডব্লোয়িং। কখনো সৌম্য সরকার, কখনো সৌম-ইয়া সরকার আবার কখনো সুমাইয়া সরকার হয়ে কমেন্ট্রি বক্সে ঝড় তুলেছেন। প্রথম ১৫ ম্যাচে ৫১.৬৯ গড়ে ৪ অর্ধ-শতক এবং এক শতকসহ করেছেন ৬৭২ রান। তবে তার পরেই হোঁচট খেয়ে দিশেহারা সৌম্য। টি২০, ঘরোয়া লিগ কিংবা ওডিআই সবখানেই যেন নিজের হারানো ইশ্বর’কে খুঁজছেন তিনি। ফর্মহীনতার এই অন্ধকার গলিতে পুরো পৃথিবী যখন একদিকে সৌম্য তখন অন্যদিকে।

তবে ভরসার কথা মাশরাফি নামের এক অদৃশ্যে হাত সবসময় কাঁধে আছে তার। মাশরাফি বিশ্বাস করেন সৌম্য ফিরবেন। আমরা বিশ্বাস করি মাশরাফি ভুল বলেন না। ধূমকেতু হয়ে আবির্ভাব ঘটানো সৌম্য বাইশ গজে টিকে থাকবেন নীল পাহাড়ের মত। কখনো সৌম্য সরকার, কখনো সৌম-ইয়া সরকার আবার কখনো সুমাইয়া সরকার বন্দনায় কেঁপে উঠবে কমেন্ট্রি বক্স। আর সেরকম কিছু হলেই নতুন করে জন্ম হবে পুরনো সৌম্য সরকারের।

বন্ধ’তো আমরাই, এখন হারনো ইশ্বর’কে খুঁজে নিতে হবে তার নিজের।