পর্যটক আকর্ষণে নতুন নীতিমালা গ্রহণ করেছে কাতার

ভ্রমণ

২০২৩ সাল নাগাদ ৫৬ লাখ পর্যটক আগমনের লক্ষ্য নির্ধারণ করে পর্যটক আকর্ষণে নতুন নীতি গ্রহণ করেছে কাতার সরকার। বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে পাঁচ বছর মেয়াদী এ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে দেশটির পর্যটন মন্ত্রণালয়। লক্ষ্য পূরণ হলে পর্যটন খাত থেকে আসবে দেশটির মোট জিডিপির তিন দশমিক আট শতাংশ।

প্রতিবেশি দেশগুলোর সাথে কূটনৈতিক সম্পর্কে চিড় ধরাকে কেন্দ্র করে কাতারের আকাশপথ ও সীমান্তে কড়াকড়ি আরোপ করেছে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যেরই কয়েকটি দেশ। অথচ ২০১৬ সালের প্রথমার্ধে কাতারে পর্যটক এসেছে ১৪ লাখ। যাদের মধ্যে সাড়ে ছয় লাখই গাল্ফভুক্ত দেশগুলোর। শুধু সৌদি আরব থেকে দেশটিতে পর্যটক এসেছে ৫০ লাখের কাছাকাছি। কিন্তু সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের কাতারে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার পর দেশটিতে কমেছে পর্যটক আগমন। এরপরপরই পর্যটক আকর্ষণে নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে দেশটির সরকার।

কাতার পর্যটন উন্নয়ন সংস্থা প্রধান সান আল ইব্রাহীম জানান, নতুন পরিকল্পনায় পর্যটক আকর্ষণে থাকছে মরুভূমি ভ্রমণ, শিকার আর মুক্তা আহরণ অভিযান। সেই সাথে প্রকৃতির ছোঁয়ায় গড়ে ওঠা বিভিন্ন রিসোর্টে ঘুরে বেড়ানো। তবে পর্যটক আকর্ষণে এবার ব্যক্তি মালিকানাধীন খাতগুলোর উন্নয়নে জোর দিচ্ছে কাতার সরকার।

বিশ্ব পর্যটন সংস্থার মহাসচিব তালেব আল রিফাই জানান, আমরা একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। আমাদের ক্ষতিগুলো আমরা কাটিয়ে ওঠবো। বিশেষত আমরা আমার দেশের সমাজ,সংস্কৃতি পর্যকটদের কাছে তুলে ধরবো। কাতার এমনিতে পর্যকটদের কাছে প্রিয়।