ফিরলেন মুস্তাফিজ, জিতল রাজশাহী

ক্রিকেট খেলাধুলা প্রধান খবর

বিপিএলটা ভালো কাটছিল না রাজশাহী কিংসের। আগের দুটি পর্বে জয় মাত্র দুটি ম্যাচে। সাত ম্যাচে মাত্র দুটি জয় নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে ছিল মুশফিক-মিরাজদের রাজশাহী। শেষ চারে যেতে হলে দরকার টানা জয়। এমন সময় কিনা ইনজুরিতে মুস্তাফিজুর রহমান! মনেপ্রাণে কাটার মাস্টারের ফেরার অপেক্ষা করছিল দলটি। ফিরলেন মুস্তাফিজ, সেই সঙ্গে রাজশাহীর জন্য সৌভাগ্যও বয়ে আনলেন এই পেসার। বিপিএলের এবারের আসরে এই প্রথম মাঠে নামলেন কাটার মাস্টার। বোলিংটা ঠিক ‘ফিজ’সুলভ ছিল না। তাতে কি? জয় পেতে তো সমস্যা হয়নি তাঁর দলের!

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিপিএলের পঞ্চম আসরটা শুরু করলেন টাইগার পেস সেনসেশন মুস্তাফিজুর রহমান। তাঁর বল হাতে নেওয়ার আগেই অবশ্য রাজশাহীর জয়ের রসদ জোগাড় করে রাখেন ড্যারেন সামি। ১৪ বলে ৪৭ রান করে ‘রাজা’দের স্কোরটা রাজকীয় অবস্থানে নিয়ে চলে যান তিনি। ১৮৫ রান তোলে রাজশাহী।

মোহাম্মদ সামি ও মেহেদী হাসান মিরাজের তোপে কুমিল্লা তখন কাঁপছে। ৪ রানের মধ্যেই নেই ফখর জামান ও ইমরুল। কুমিল্লার এমন বেহাল দশায় ষষ্ঠ ওভারে বল হাতে পান মুস্তাফিজ। প্রথম ওভারটা অবশ্য ভালো হয়নি। প্রথম বলটাই করে লেগ সাইডে। তামিমের মতো স্বীকৃত ব্যাটসম্যানের জন্য সেটা এক প্রকার উপহারই বলা যায়। ফ্লিক করে চার মারেন তিনি। পঞ্চম বলে শোয়েব মালিক আরেকটা চার মেরে স্বাগত জানান মুস্তাফিজকে। প্রথম ওভারেই মুস্তাফিজ দেন ১১ রান।

পরের দুই ওভারে দিলেন আরো ২০ রান। এর মধ্যে অবশ্য হাসান আলীর উইকেটটি নেন কাটার মাস্টার। শেষ ওভারের দ্বিতীয় বলে মেহেদী হাসানকে ফিরিয়ে কুমিল্লার লেজটা মুড়ে দেন মুস্তাফিজ। পুরোনো মুস্তাফিজকে ফিরে পাওয়ার মিশনে ১৯ বলে ৩১ রান দিয়ে দুই উইকেট নিয়েছেন এই বোলার। বোলিং বিশ্লেষণটা কোনোভাবেই তাঁর নামের আশপাশে যায় না তবে অন্তত মাঠে তো নামলেন মুস্তাফিজ। এটাই বা কম কিসের!