ফুটফুটে মেয়ে আছে ক্যাট-সালমানের, ডিভোর্স অ্যাশ-অভিষেকের !

বলিউড বিনোদন

ক্যাটরিনা-সালমান ও অভিষেক-ঐশ্বর্যের সম্পর্কে যোগ-বিয়োগের চিত্র উঠে এসেছে একাধিক ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে! আর তাতে সাতসকালেই পাঠকের চক্ষু চড়কগাছ।  তবে অনেকেই বলছেন পয়লা এপ্রিলে মজা করার উদ্দেশ্যে সম্পর্কের রসায়ন নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো উচিত নয়।

এবেলা জানায়, এ জোড়া ঘটনায় নাকি ভারতজুড়ে তোলপাড় হয়ে গেছে!সালমান নাকি আগে থেকেই বিবাহিত ক্যাটরিনার সঙ্গে।  তাদের এক সন্তানও রয়েছে।  অন্যদিকে, ডিভোর্সের জন্য নাকি আদালতের দ্বারস্থ অভিষেক-ঐশ্বর্য! এক দশকের

সম্পর্কের ইতি ঘটিয়ে বিচ্ছেদের পথে বলিউডের অন্যতম ‘হাইপ্রোফাইল কাপল’। কিন্তু ব্যক্তিগত সম্পর্কের এমন উথাল-পাথাল করা খবর কিন্তু একদমই সত্যি নয়! ‘এপ্রিল ফুলস ডে’-তে নির্ভেজাল মজা করার জন্যেই বেশ কিছু প্রচারমাধ্যম এমন সংবাদ পরিবেশন করে।

শুরু করা যাক, সাল্লু-ক্যাটের সম্পর্কের রসায়ন নিয়ে মুচমুচে সংবাদ পরিবেশন নিয়ে।  প্রথমসারির এক টিভি চ্যানেলের ওয়েবসাইটের হেডিং দেখে সাতসকালেই অনেকে ভিরমি খাওয়ার জোগাড়! বড় বড় অক্ষরে শিরোনাম, ‘সালমান-ক্যাটরিনা ইতোমধ্যেই বিবাহিত।  অভিনেতা স্বীকার করলেন, তাদের সন্তানও রয়েছে। ’

ওই প্রতিবেদনে লেখা রয়েছে, তাদের সম্পর্ক নিয়ে আর কোনো লুকোছাপা নেই।  বেশ কয়েকবছর দু’জনে ডেটিং করার পরে বিচ্ছেদের রাস্তায় হাঁটেন।  অভিনেত্রী তারপরও রণবীরের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন।  যদিও সেই সম্পর্কে বেশিদিন টেকেনি।  ব্রেক আপের পরেই নাকি মিয়া-বিবি ফের কাছাকাছি আসেন ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’ ছবির শুটিং চলাকালে। সালমানের ‘কোট’ ব্যবহার করা হয় সেই প্রতিবেদনে, ‘ক্যাটরিনাকে সবসময়ে ভালবেসে এসেছি।  সাম্প্রতিককালে ফের আমাদের সম্পর্কে জোয়ার আসে।  অতীতের সমস্ত খারাপ সময় ভুলে কাছাকাছি আসি দুজনে।  আমাদের বিয়ে করার সিদ্ধান্ত হঠাৎ করেই নেওয়া।  আমরা বর্তমানে ভীষণই সুখী। ’

দ্বিতীয় ঘটনা আরো ভয়াবহ! এক সংবাদমাধ্যমের ওয়েবসাইটে প্রভাতী খবরের শিরোনামে বলা হয় বিবাহবিচ্ছেদের মুখে অভিষেক-ঐশ্বর্য।  সেখানে সম্পর্কের একাধিক রসালো দিক নিয়ে বৈঠকি মেজাজে লেখা হয় নানা ভুয়ো তথ্য।  সিনেমায় ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয়, পরিবারে আপত্তি, শ্বশুরমশাইয়ের টুইটারে পারিবারিক অশান্তির ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট, ‘খলনায়িকা’ শাশুড়ির পুত্রবধূর প্রতি ডমিনেটিং মনোভাব, সন্তানের দায়িত্বভার নিয়ে কাজিয়া।  এবং তারপরেই আদালতে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা।

দুই প্রতিবেদনের ক্ষেত্রেই একদম শেষে ডিসক্লেমার দিয়ে পরে অবশ্য স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে— এপ্রিল ফুলস ডে-তে যাতে পাঠকরা বিভ্রান্ত না হন।

সুত্রঃ বার্তা বাজার