ফুটবলের মতো জাতীয় ক্রিকেট দলেও ব্রাজিলের সাফল্য দেখে নি বিস্তারিত

খেলাধুলা ফুটবল

ব্রাজিলে ফুটবলের উম্মাদনা শতভাগ হলেও ব্রাজিলও আইসিসির অ্যাফিলিয়েট সদস্য (অধিভুক্ত সদস্য)। ২০০২ সালে এ সদস্য পদ লাভ করে ব্রাজিল। দীর্ঘদিন থেকেই আইসিসি স্বীকৃত লিষ্ট এ ম্যাচ খেলে ব্রাজিল, তবে কতসাল থেকে শুরু করে তেমন কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।

১৮৮৮ সালে আর্জেন্টিনার সাথে প্রথম আইসিসি স্বীকৃত ম্যাচ খেলে ব্রাজিল। তারপর থেকে নিয়মিত ভাবেই ১৯২০ সাল পর্যন্ত ক্রিকেট খেলে দেশটি। তবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারনে ১৯২০ সালের পর থেকে ১৯৫০ সাল পর্যন্ত ক্রিকেট বন্ধ থাকে ব্রাজিলে। তারপর থেকে আবারো নিয়মিত সাউথ আমেরিকান দলগুলোর সাথে ক্রিকেট খেলে ব্রাজিল।

১৯৯৫ সালে সাউথ আমেরিকান চ্যামিম্পয়নশীপে অংশগ্রহণ করে ব্রাজিল এবং ১৯৯৭ সালে সাউথ আমেরিকনা চ্যাম্পিয়নশীপে ২য় স্থান অর্জন করে ব্রাজির। তৎপর ২০০২ সালে আইসিসির অ্যাফিলিয়েট সদস্য (অধিভুক্ত সদস্য) হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ব্রাজিল।

২০০৬ সালে আইসিসির আমেরিকান চ্যাম্পিয়নশীপে সুযোগ পায় ব্রাজিল। তখন থেকেই ব্রাজিলে ক্রিকেট বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং ২০০৯ সালে আইসিসি আমেরিকান চ্যাম্পিয়নশীপ ডিভিশন-৩ তে পেরু, চিলি ও বেলিজ এর সাথে জয়লাভের মাধ্যমে চ্যাম্পিয়ন হয় ব্রাজিল এবং ২০১০ সালে আইসিসি আমেরিকান চ্যাম্পিয়নশীপ ডিভিশন-২তে উত্তীর্ণ হয় ব্রাজিল এবং ৫ম স্থান অর্জন করে।

ব্রাজিলে নিয়মিতই ঘরোয়া ক্রিকেট হয়। সাও পালো স্টেডিয়ামটিই ব্রাজিলের হোম গ্রাউন্ড। টি২০ ক্রিকেটের আয়োজন হয় নিয়মিত। আমেরিকার দেশগুলোতে ক্রিকেট এখনো তেমন ছড়িয়ে পড়েনি। যদিও আমেরিকা আন্তর্জাতিক ওয়ানডে খেলেছে। কিন্তু তার আশেপাশের দেশগুলো এখনো ওয়ানডে কিংবা টি২০ খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি।

তথ্যসূত্র-উইকিপিডিয়া।