বউমার কামড়ে শ্বাশুড়ী হাসপাতালে

অপরাধ ও দুর্নীতি

এ ঘটনায় নূরজাহান বেগমের তৃতীয় ছেলে রমজান আলী মুক্তি রোববার (২৯ অক্টোবর) থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ডৌহাখলা ইউনিয়নের চন্দপাড়া গ্রামের মৃত শামছ উদ্দিনের স্ত্রী নূরজাহান বেগম। সংসার জীবনে তাঁর চার ছেলে ও তিন মেয়ে রয়েছে। গত চার বছর ধরে নূরজাহান বেগম তার চতুর্থ ছেলে কামালের সংসারেই ছিলেন।

দুই বছর আগে কামাল তার মা নূরজাহানের অংশ থেকে তিন কাঠা জমি লিখে নেন। সম্প্রতি কামাল ও তার স্ত্রী লাভলী পুনরায় আরো দুই কাঠা জমি লিখে দেয়ার জন্য নানাভাবে চাপ ও হুমকি দিচ্ছিলেন নূরজাহানকে।

শুক্রবার (২৭ অক্টোবর) নূরজাহান জমি লিখে দিতে অস্বীকৃতি জানালে কামাল ও তার স্ত্রী লাভলীর সাথে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে লাভলী তার শ্বাশুড়ী নূরজাহানকে মারধর করে শরীরের বিভিন্ন অংশে কামড় দিয়ে আহত করেন। বর্তমানে তিনি গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

আহত নূরজাহান বেগম বলেন, জমি লিখে না দেয়ায় কামালের সামনেই তার বউ আমাকে কিল, ঘুষি, লাথি মারছে। হাতে অনেকগুলো কামড় মারছে। সারা শরীরে ব্যথা করছে। আমি এর বিচার চাই।

নূরজাহান বেগমের তৃতীয় ছেলে রমজান আলী মুক্তি বলেন, আমার দুই ভাই সালাম ও কামাল জমি লিখে দেয়ার জন্য মাকে চাপ দিচ্ছিলেন। মা জমি লিখে না দেয়ায় মারধরের এই ঘটনা ঘটেছে।

খবর পেয়ে আমি আহত মাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করেছি।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য নূরজাহানের ছেলে কামালের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ তারিকুজ্জামান বলেন, মারধরের বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।