বাংলাদেশের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জেনে রাখতে পারেন

অন্যান্য বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ভ্রমণ

 

রাতার গুল সোয়াম্প ফরেস্ট -সিলেট

বাংলাদেশের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিষয় গুলো জেনে রাখতে পারেন।

১। ৬৩৬ টি থানা বর্তমানে বাংলাদেশে পুরনো জেলা গুলো অর্থাৎ বৃটিশ অথবা পাকিস্তান আমলে যে গুলো  জেলা হিসাবে পরিচিত ছিলো। সে গুলোর কেন্দ্রীয় থানার নাম কোতয়ালী যেমনঃ চট্রগ্রাম কোতয়ালী, কুমিল্লা, সিলেট ও দিনাজপুর কোতয়ালী ইত্যাদি।

২। বর্তমান বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশী ট্রাভেল কারা জায়গার নাম কক্সবাজার কিংবা সেন্টমাটিন নয়। বরং সিলেটের বিছানাকান্দী জিপিএস লোকেশন রেকর্ড সেই রকমই তথ্য দিচ্ছে। দ্বিতীয় কক্সবাজার, যারা প্রযুক্তিতে উন্নত তারাই চেক ইন বেশি করেছেন বিছানাকান্দিতে।

৩। বাংলাদেশ সরকার প্রত্যেক থানার ওসিদের জন্য বিশেষ ধরনের সিমের ব্যবস্থা করেছেন। এটা বেশ সহজ এবং বিভাগ আর জেলা এবং উপজেলায় একটা নিজেস্ব সিরিয়াল আছে। যেমনঃ ফোন নাম্বার এর শেষ ডিজিট এক উপজেলায় ৪৩০ হলে, পাশের উপজেলায় ৪৩১।

৪। বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রযুক্তিগত ভাবে পিছানো বিভাগ বরিশাল সেখানকার খুব কম মানুষই তথ্য-প্রযুক্তির সুফল গুলো পায় বা অন্যের জন্য পথ তৈরি করতে পারে।

কক্সবাজার-হিমছড়ি

 

৫। বাংলাদেশে সন্ধানী নামের রক্তদানকারী সংস্থার ব্রাঞ্চ প্রতিটি সরকারী মেডিকেল কলেজে আছে কিছু বেসরকারীও তবে সবচেয়ে বেশি ব্রাঞ্চ আছে বাঁধন নামের আরেকটি রক্তদানকারী সংস্থার। প্রতিটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শাখা গুলো প্রত্যাশা অনুযায়ী সক্রিয় নয়। তাছাড়া বাঁধন শুধু বিশ্ববিদ্যালয় নয় বরং প্রায় ৩৫ টি স্নাতক পর্যায়ের সরকারী কলেজ এর কার্যক্রম চালু আছে।

৬। বাংলাদেশে ৮টি বিভাগ আছে। ৮০-৯০ শতাংশ মানুষ এখনও জানেন না রংপুর বা ময়মনসিংহ বিভাগ হয়েছে।

৭। বাংলাদেশে আ্যম্বুলেন্স সার্ভিস খুবই অপ্রতুল্য আর সেটা সবচেয়ে বেশি খারাপ অবস্থা বরিশালে।

৮। বাংলাদেশে ওয়েল স্ট্যাবলিশড কোন ব্লাড ব্যংাক নেই। অনেক কম ব্লাড ব্যাংক বাংলাদেশে। যে গুলো আছে সে গুলো আসলে কিছু অসাধারণ মানুষদের মহানুভবতার কারণে চলছে। অনেক ব্লাড ডোনার তৈরি হয়েছে, গত চার বছরে। সবচেয়ে বেশি ব্লাড ব্যাংক ঢাকায় এরপর রাজশাহীতে। এছাড়া বাংলাদেশের কিছু তরুন একেবারে নিজ উদ্যোগে কিছু রক্তদাতা সংকস্থা গড়ে তুলেছেন। এদের কার্যক্রম অসাধারন কিছু তরুন এটাকে সামাজিক দায়িত্বও মনে করেন।

৯। বাংলাদেশ পুরোপুরি ঢাকা-কেন্দ্রিক। ঢাকায় যে পরিমান কাজ এবং অনান্য সুযোগ সুবিধা অ্যাভেইলেভল অন্য কোন শহরে নেই। এই জন্যই সবাই ঢাকা মুখি।তাই অতিরিক্ত মানুষের চাপ যানবাহন সব মিলিয়ে ঢাকায় দূষণও বেশি।

১০। ইন্টারনেটে অগ্রসবরতার দিক বিবেচনা করলে বাংলাদেশকে দুটো ভাগে ভাগ করা যায়। এক দিকে থাকবে ঢাক, চট্রগ্রাম এবং সিলেট আর অন্যদিকে থাকবে বাকি সব বিভাগ গুলো। বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি স্মার্টফোন এবং ইন্টারনেট ব্যবহারকরীর স্যাংখা ও এই তিনটি জেলায়।

সিলেট লালা খাল

১১। বাংলাদেশের অধিকাংশ (৮০ শতাংশ) পুলিশ কর্মকর্তা ই-মেইল ব্যবহার করেন না। তারা গুগল ম্যাপ বা এই জাতীয় জিনিস গুলো ব্যবহার করেন না। যার জন্যই অধিকাংশ পুলিশ ষ্টেশন গুলোর কোন ছবি গুগল ম্যাপে পাওয়া যায় না। তবে বাংলাগেশের গুগল ম্যাপে ৭৫-৮০ শতাংশ পুলিশ ষ্টেশনের ফোন নাম্বার পেয়ে যাবেন।

১২। গুগল স্ট্রীট ভিউয়ের গুগল কার বড় শহর গুলোতে ভালো কাজ করেছে, ছবিও পাওয়া যায়। উপজেলা শহর কিংবা তুলনামূলক দূর্গম এলাকার কোন নির্দেশনাই গুগল স্ট্রিট ভিউতে নেই। অধিকাংশ ক্ষেত্রে কেবল মাত্র ট্রাংক রোড দিয়ে যাবার সময় গুগল কার যতটুকু পেরেছে, তা তুলেছে।

১৩। বাংলাদেশ সরকার প্রত্যেক জেলা হাসপাতালের জন্য আলাদা ইনফরমেশন পেজ তৈরি করে দিয়েছে।গুগলে জেলা হাসপাতালের নাম লিখে সার্চ দিলেই চলে আসে।

সূত্র:  ইন্টারনেট।