বাসেলের কাছে হারল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড

খেলাধুলা ফুটবল

ম্যাচে ভাগ্যই ছিল না ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের পক্ষে। ম্যাচটা ড্র হলেই যেখানে চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোয় জায়গা করে নেওয়া যায়, সেখানে উল্টো এফসি বাসেলের কাছে হেরে বসল হোসে মরিনহোর দল। তাও খেলার শেষ লগ্ন, ৮৯ মিনিটে গোল খেয়ে—ভাগ্য সঙ্গে থাকলে তো আর এমনটি হওয়ার কথা নয়।

ভাগ্য খারাপ থাকার আরও নমুনা আছে। গোটা প্রথমার্ধ দুর্দান্ত খেলে বাসেলকে রীতিমতো নাস্তানাবুদ করেও গোল বের করতে পারেনি তারা। দুটি বল লেগেছে বারপোস্টে। এই দুঃখেই কিনা দ্বিতীয়ার্ধে নিজেদের খেলাটা একেবারেই হারিয়ে বসল তারা। বাসেলের মিচেল ল্যাংয়ের ৮৯ মিনিটের জয়সূচক গোলে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড রক্ষণভাগের ভুল কিন্তু প্রকট হয়েই সামনে চলে আসছে।

স্বাভাবিকভাবেই ম্যাচ হেরে ক্ষুব্ধ-হতাশ মরিনহো। হারের কারণ হিসেবে বলছেন গোল করার ক্ষেত্রে নিজ দলের ফরোয়ার্ডদের ব্যর্থতার ব্যাপারটিই, ‘আমরা প্রথমার্ধে একচেটিয়া খেলেছি। তখনই আমাদের কমপক্ষে ৫-০ গোলে এগিয়ে যাওয়া উচিত ছিল। কিন্তু আমরা গোলই করতে পারলাম না! প্রথমার্ধের খেলা দেখে মনে হয়েছিল, এই ম্যাচটা না জেতাই হবে অসম্ভব এক ব্যাপার। দ্বিতীয়ার্ধে দল ভালো খেলেনি। মনে হচ্ছিল, ম্যাচটা ০-০ হলেও তো হয়। কিন্তু শেষ মুহূর্তের গোলে আমরা হারলাম!’

এই হারে অবশ্য গ্রুপ ‘এ’র প্রথম স্থানটি হারায়নি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। সিএসকেএ মস্কোর বিপক্ষে নিজেদের মাঠে শেষ ম্যাচটি হারলেও অসুবিধা নেই তাদের। তবে মস্কোর বিপক্ষে খেলায় ৬-০ গোল হারলে শেষ ষোলোর স্বপ্ন শেষ হয়ে যাবে তাদের। মরিনহোর হতাশার জায়গাটা এখানেই। মঞ্চ প্রস্তুত। কুশীলবেরাও তৈরি। কিন্তু মঞ্চটিই যেন ভেঙে পড়ে গেল। সিএসকেএর বিপক্ষে ম্যাচটা হয়তো হালকা মুডে খেলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ম্যানচেস্টার ডার্বির আগে ওটা অযথা একটা উদ্বেগের কারণ হয়ে থাকল পর্তুগিজ কোচের কাছে। সূত্র: এএফপি