বায়ার্নকে হারিয়ে টানা তিনবার ফাইনালে রিয়াল

খেলাধুলা ফুটবল

চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনাল। তাও আবার দ্বিতীয় লেগের খেলা। উত্তেজনা না হলে কি চলে! হয়েছেও তেমন। মঙ্গলবার (১ লা মে) রাতে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে রিয়াল মাদ্রিদ-বায়ার্ন মিউনিখের ম্যাচ ছিল উত্তেজনায় টইটম্বুর।বায়ার্নকে ছিটকে দিয়ে টানা তৃতীয়বারের জন্য চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে উঠল রিয়াল মাদ্রিদ৷ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুয়ে দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে রিয়ালের সঙ্গে ২-২ ড্র করে বায়ার্ন। কিন্তু প্রথম লেগে বায়ার্নদের ২-১ হারিয়েছিল রিয়াল। অ্যাওয়ে গোলের হিসেবে ৪-৩ ব্যবধানে চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে উঠল রিয়াল মাদ্রিদ। ম্যাচটিতে রিয়ালের হয়ে দুটি গোলই করেন করিম বেঞ্জেমা। লিভারপুল-রোমার দ্বিতীয় লেগের খেলার পরই বোঝা যাবে ফাইনালে জিদান–শিষ্যরা কাদের মুখোমুখি হন

সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে এসেও রিয়ালের বুকে প্রথম ছুরি চালান ওই জশুয়া কিমিখই। এদিন ম্যাচের শুরুতেই জার্মানির ডিফেন্ডার কিমিখ গোলপোস্ট লক্ষ্য করে নেওয়া কোনাকুনি শট আটকাতে ব্যর্থ থাকেন রামোস। দু’মিনিটেই ১-০ এগিয়ে যায় বায়ার্ন। তবে বেশিক্ষণ এই ব্যবধান রাখতে পারেনি জার্মানির ফুটবল ক্লাবটি। ১০ মিনিটেই দলের হয়ে গোল সংখ্যা সমান করেন রিয়ালের ফ্রেঞ্চ স্ট্রাইকার করিম বেনজেমা। মার্সেলোর ক্রশ থেকে হেডে করে গোল করেন বেনজেমা।

৩৩ মিনিটে একটি দারুণ সুযোগ তৈরি হয়েছিল বায়ার্নের জন্য কিন্তু গোলের কাছে বল পেয়েও সুযোগ নষ্ট করেন হামেস রদ্রিগেজ। কয়েক মিনিট পরই ৩৮ মিনিটে রোনালদোর একটি শট জালে জড়ানো থেকে আটকে দেন বায়ার্নের গোলরক্ষক। প্রথমার্ধের যোগ হওয়া সময়ে কিমিখের শট রিয়ালের ডি-বক্সে মার্সেলোর হাতে লাগলে পেনাল্টির জোরালো দাবি জানায় অতিথিরা। রেফারি অবশ্য পেনাল্টি না দিয়েই প্রথমার্ধের খেলা শেষ করেন।

ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে একপ্রকার ফাঁকা গোলে বল আরও একবার জালে জড়ান বেজেমা। ৬২ মিনিটে গোল সংখ্যা সমান করেন বায়ার্নের অ্যাটিকিং মিডফিল্ডার রদ্রিগেজ। রদ্রিগেজের শটে সমতায় ফেরে বায়ার্ন (২-২)। তখন বায়ার্ন সমর্থকদের মনের আকাশে জমাট বাঁধা হতাশার কালো মেঘের আড়ালে খানিকটা আশার আলো জ্বলে উঠেছিল হয়তো। কিন্তু খেলা শেষে সেই আলো যেন দমকা বাতাসে নিবে যায়। সমতা নিয়েই মাঠ ছাড়ে বায়ার্ন মিউনিখ। আর টানা তৃতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে ওঠে রিয়াল মাদ্রিদ।