বিমান বন্দরে পুলিশ এ কেমন আচরণ স্মিথের সাথে

ক্রিকেট খেলাধুলা
‘স্মিথ কিন্তু ড্রাগ অপরাধী নয়’
ক্রিকেট মাঠে বল টেম্পারিং কাজটা আইন বিরোধি হতে পারে, কিন্তু শাস্তিটা কী? আইসিসির আইনে ব্যাপারটা বড় জোর লেভেল টু অফেন্স,যার জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি এক ম্যাচের সাসপেনশন।  কিংবা পাঁচ রানের পেনাল্টি।  কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ এবং তার ডেপুটি ডেভিড ওয়ার্নার ও ব্যানক্রফটকে কেন এতো বড় শাস্তি দিল তাদের ক্রিকেট বোর্ড।  তার পরেও কেন এভাবে বিমানবন্দরে অপরাধীর মতো অভ্যর্থনা পেলেন অস্ট্রেলিয়ার বরখাস্ত অধিনায়ক স্মিথ? অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে আসার

জন্য জোহানেসবার্গ বিমানবন্দরে পৌঁছে কার্যত সমস্যায় পড়েছেন স্মিথ।  তাকে পুলিশ টানা-হেচড়া করে নিয়ে যায় পুলিশ। বিমানবন্দরের ভিডিওতে দেখা গিয়েছে প্রায় দশজন পুলিশকর্মীর চতুর্দিক থেকে ঘিরে অপরাধীর মতো টানা-হেচড়া করে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে স্মিথকে।  হাতেই যেন শুধু হ্যান্ডক্রাফট নেই।  বাকি দৃশ্য দেখে ক্রিকেট দুনিয়ার সঙ্গে পরিচয় নেই এমন কেউ বলতেই পারেন ওয়ান্টেড ক্রিমিনালকেই কী ধরে বেঁধে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে আদালতে। 

এই দৃশ্যের তীব্র নিন্দা করেছেন প্রাক্তন ব্রিটিশ ক্রিকেটার কেভিন পিটারসন।  দৃশ্যটি ফেসবুকে শেয়ার করে কেপি লিখেছেন, স্মিথ কিন্তু অপরাধী নয়।  ও ক্রিকেটার।  তাই ওর সঙ্গে ক্রিকেটারসুলভ আচরণই কাম্য।  এর আগে বল টেম্পারিংয়ের জন্য স্মিথের শাস্তি চেয়েছিলেন পিটারসন।  তবে স্মিথের সঙ্গে এভাবে অপরাধীসুলভ আচরণ করা হচ্ছে, সেটা মেনে নিতে পারেননি তিনি। শুধু ক্রিকেটাররাই নয়, সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্রিকেট অনুরাগীরাও লিখেছেন, ‘অজিদের বরখাস্ত অধিনায়ক কিন্তু কোনও ড্রাগ ডিলার নয়, যে বিমানবন্দরে ওর সঙ্গে এমন আচরণ করতে হবে। ’ পুলিশের আচরণ নিয়ও প্রশ্ন উঠছে।  চিত্রে ধরা পড়েছে পুলিশ প্রায় টেনে হিঁচড়েই স্মিথকে বিমানবন্দরের ভিতরে নিয়ে যায়।