ব্যাটসম্যান আশরাফুন নয় অলরাউন্ডার আশরাফুল তার নতুন পরিচয়, ১৬ ওভার বল করে…..

ক্রিকেট খেলাধুলা

ব্যাটিং নয়তো বোলিং যেকোনো একটি দিয়ে হলেও বারবার নিজেকে প্রমান করছেন আশরাফুল। ব্যাটসম্যান আশরাফুল থেকে নিজেকে অলরাউন্ডার আশরাফুল হিসেবেই বেশি পরিচয় করাচ্ছেন তিনি।

ম্যাচের ফল অনুমান করা যাচ্ছিল তৃতীয় দিন শেষেই। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ইস্ট জোন আর সাউথ জোনের ম্যাচটি যে ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছে, বোঝা গিয়েছিল। শেষপর্যন্ত ব্যতিক্রম কিছু হলো না। তবে ড্রয়ের ম্যাচেও নিজেদের পরিসংখ্যানটাকে সমৃদ্ধ করে নিয়েছেন তুষার ইমরান, লিটন দাস, আফিফ হোসেনরা।

প্রথম ইনিংসে সাউথ জোন ৪০৩ রানে অলআউট হওয়ার পর জবাবে ইস্ট জোন করেছিল ৩০০ রান। সাউথ জোন দ্বিতীয়বার ব্যাটিংয়ে নেমে তৃতীয় দিন শেষে ৩ উইকেটে ১৪২ রান তুলেছিল। চতুর্থ দিনে তারা ইনিংস ঘোষণা করে ৭ উইকেটে ৩১১ রান তুলে।

প্রথম ইনিংসে ১৩০ রান করা তুষার ইমরান দ্বিতীয় ইনিংসেও তুলে নেন দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি। ১০৩ রান করে আহত অবসর হিসেবে মাঠ ছাড়েন তিনি। এছাড়া মোহাম্মদ মিঠুন করেন ৬৬ রান।

সোহাগ গাজী ৩টি, মোহাম্মদ আশরাফুল আর আবু জায়েদ রাহি নেন ২টি করে উইকেট। আশরাফুল ১৬ ওভার বল করে ৬১ রান দিয়ে ২টি উইকেট নেন।

জবাবে শুরুতেই ইমতিয়াজ হোসেনকে হারিয়ে ধাক্কা খেয়েছিল ইস্ট জোন। তবে দ্বিতীয় উইকেটে লিটন দাস আর আফিফ হোসেন মিলে ম্যাচে যা একটু উত্তেজনা ছিল, সেটাও দমিয়ে দিয়েছেন। এই উইকেটে তারা গড়েন ২০৫ রানের অবিচ্ছিন্ন এক জুটি। ম্যাচ ড্র করেই মাঠ ছাড়েন জাতীয় দলের এই দুই ব্যাটসম্যান।

ইস্ট জোন ১ উইকেটে ২২৪ রান তোলার পর ড্র মেনে নেয় দুই পক্ষ। ১২৯ বলে ১১ বাউন্ডারি আর ৪ ছক্কায় ১১৩ রানে অপরাজিত ছিলেন লিটন দাস। ১৩১ বলে ১০ চার আর ১ ছক্কায় আফিফ হোসেন অপরাজিত ছিলেন কাটায় কাটায় ১০০ রানে।