ব্লু হোয়েলের বিপরীতে ”বাইম মাছ” গেম ! অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান রিপন

প্রধান খবর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা
সময়ের সবচেয়ে আলোচিত ও বিতর্কিত একটি মরণ খেলা বা সুইসাইড গেমের নাম ‘ব্লু হোয়েল’। প্রযুক্তি নির্ভর এই ভয়ঙ্কর গেমটি নেশার ফাঁদে পড়ে আত্মহত্যা করতেও পিছপা হচ্ছে না তরুণ-তরুণীরা।
বাংলাদেশেও এই গেমের প্রভাব লক্ষ্য করা গেছে।
সম্প্রতি এই ব্লু-হোয়েলের বিপরীত ‘বাইম মাছ’ গেমের আইডিয়া দিয়েছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মোস্তাফিজুর রহমান রিপন। তিনি তার আইডিয়া শেয়ার করেন। তুলে ধরা হল- গেমটির নাম ‘বাইম মাছ’ গেম।
যেটি হবে পঞ্চাশ পর্বের। খেলবে আঠারো থেকে ত্রিশ বছরের ছেলে-মেয়েরা। কাজ হবে মানুষকে সাহায্য করা। যেমন- ভিক্ষুক, পথ শিশুকে পুরো এক প্লেট ভাত খাওয়াতে হবে। তারপর খালি প্লেটসহ ভিক্ষুকের ছবি আপলোড করলে পরের স্টেপ।
এক ব্যাগ রক্ত দিতে হবে। রক্ত দিচ্ছে এমন ছবি পোস্ট করলে পরের স্টেপ। সঙ্গে ব্লাড রিকুইজিশনের ছবি।
প্রথম স্টেপটা হবে বাসে সিট ছাড়া নিয়ে। ষাটোর্ধ্ব এক লোকের জন্য সিট ছাড়তে হবে। কথোপকথনের অডিও টেপ শুনাতে পারলে সেকেন্ড স্টেপ।
সেকেন্ড স্টেপটা হবে সহজ। দুটি গাছ লাগাতে হবে। ছবি দিয়ে থার্ড স্টেপ। যত স্টেপ বাড়তে থাকবে, খেলা তত কঠিন হবে।
যেমন কোনো প্রতিবন্ধী বালক হারিয়ে গেছে, তাকে খুঁজে দিতে হবে বা একজনকে মরণোত্তর কর্ণিয়া দানে সম্মত করতে হবে। এরপর পাঁচটি গোলাপ গাছ লাগাতে হবে, যেখানে পাঁচটি ভিন্ন রঙের ফুল ফুটে আছে।
Tagged