ভারতের সাথে জয় দিয়ে সমতায় ফিরল নিউজিল্যান্ড

ক্রিকেট খেলাধুলা

এক দলের জন্য এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জয়ের হাতছানি, অন্য দলের জন্য সিরিজ বাঁচানোর লড়াই। রাজকোটে দ্বিতীয় টি-টুয়েন্টি ম্যাচটি ভালই উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ে জিতে সিরিজ সমতায় ফিরল নিউজিল্যান্ড। যারা ২০ ওভারের সংস্করণে ভারতে বরাবর ভালো। ভারতের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজে এখন ১-১ এ সমতায় রয়েছে তারা। কিউইদের দেয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে গিয়ে ৭ উইকেটের হারিয়ে ১৫৬ রান করেছে ভারত। কলিন মুনরোর ১০৫ রানের ইনিংস বড় সংগ্রহ এনে দেয় ব্ল্যাক ক্যাপসদের। পরে ট্রেন্ট বোল্টের বোলিং তোপে ৪০ রানের পরাজয় মেনে নিতে হয় ভারতকে।

ভারতের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডের পর থেকেই নিজেকে হারিয়ে খুঁজছিলেন বাঁহাতি পেসার ট্রেন্ট বোল্ট। দলের প্রয়োজনের মুহূর্তে জ্বলে উঠলেন। তার বজ্রাঘাতেই ১১ রানের মধ্যে দুই ওপেনারকেই হারায় ভারত। এরপর শ্রেয়াস আইয়ারকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস মেরামতের চেষ্টা করেন অধিনায়ক বিরাট কোহলি। কিন্তু চার বলের ব্যবধানে আইয়ার ও হার্দিক পান্ডিয়ার উইকেট হারায় ভারত। সাবেক অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনির সাথে কোহলির ৫৬ রানের জুটি আশা দেখালেও শেষ রক্ষা হয়নি। দলীয় সর্বোচ্চ ৬৫ রান কোহলির। ধোনি করেছেন ৪৯ রান। বোল্ট ৩৪ রান খরচায় ৪ উইকেট পান।

টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় নিউজিল্যান্ড। প্রথম ম্যাচে ভারত যেভাবে ব্যাট করেছে রাজকোটে ঠিক যেন সেভাবেই খেলেছে তারা। উদ্বোধনী জুটি ১০৫ রানের। মার্টিন গাপটিল ৪৫ রান করে সাজঘরে ফিরে যান। এরপর অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন ও অল রাউন্ডার টম ব্রুসকে নিয়ে কিউইদের সংগ্রহটা ১৯৬ রানে পৌঁছে দেন কলিন মুনরো। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টি-টুয়েন্টি সেঞ্চুরি তুলে নিলেন ৫৪ বলে। ৭ ছক্কা ও ৭ চারে ৫৮ বলে ১০৯ রান করে অপরাজিত থাকেন। অভিষিক্ত ডানহাতি পেসার মোহাম্মদ সিরাজ ১ উইকেট পেলেও রান দিয়েছেন ৫৩।

ম্যাচসেরা হয়েছেন মুনরো। সিরিজের শেষ ম্যাচটি যেটি এখন ফাইনাল সেটি অনুষ্ঠিত হবে ৭ নভেম্বর।

সংক্ষিপ্ত স্কোর-

নিউজিল্যান্ড : ১৯৬/২ (২০ ওভার) (গাপটিল ৪৫, মুনরো ১০৯*, উইলিয়ামসন ১২, ব্রুস ১৮*; ভুবনেশ্বর ০/২৯, সিরাজ ১/৫৩, চাহাল ১/৩৬, বুমরাহ ০/২৩, প্যাটেল ০/৩৯, পান্ডিয়া ০/১৪)।

ভারত : ১৫৬/৭ (২০ ওভার) (রোহিত ৫, ধাওয়ান ১, শ্রেয়াস ২৩, কোহলি ৬৫, পান্ডিয়া ১, ধোনি ৪৯, প্যাটেল ৫, ভুবনেশ্বর ২*, বুমরাহ ১* ; মিলনে ০/৩০, বোল্ট.৪/৩৪, গ্র্যান্ডহোম ০/১০, স্যান্টনার ১/৩১, সোধি ১/২৫, মুনরো ১/২৩)।

ম্যাচসেরা : কলিন মুনরো।

ফলাফল : তিন ম্যাচের সিরিজে ১-১ এ সমতা।