মিরপুরে নতুন সাকিবের খোঁজ পেলো বাংলাদেশ!

ক্রিকেট খেলাধুলা

মিরপুরে রবিবার থেকে শুরু হয়েছে প্রথম বিভাগ ক্রিকেট লীগ। আর এই লীগের উদ্বোধনী ম্যাচে এক্সিওম ক্রিকেট ক্লাবকে হারিয়ে শুভ সূচনা করেছে ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাব। এই ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাবের হয়েই এবার খেলছেন স্পিনার শহিদুল ইসলাম। মিরপুরে নতুন সাকিবের খোঁজ পেলো বাংলাদেশ!

নাম শুনে উঠতি এই ক্রিকেটারকে খুব একটা চেনার উপায় নেই। তবে নাম দিয়ে নয়, বরং নিজের বোলিং স্টাইল এবং ধরণ দিয়েই লাইমলাইটে উঠে এসেছেন এই তরুণ। কেননা শুধু বোলিং অ্যাকশনই নয়, বরং হাঁটা চলা থেকে শুরু করে ফিল্ডিং করার ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের সাথে শহিদুলের মিল আছে আশ্চর্য রকমভাবে।

কিন্তু অবাক করা বিষয়টি এখানেই। দেশীয় টিভি চ্যানেল একাত্তরকে শহিদুল নিজেই জানিয়েছেন সাকিবের সাথে তাঁর এই মিল নাকি একেবারেই কাকতালীয়। সাকিবের অনেক আগে থেকেই নাকি তাঁর মতো স্টাইলে বোলিং করতেন তিনি! শহিদুল বলেছেন,

‘ছোট বেলা থেকে এই অ্যাকশনই করতাম। সাকিব ভাই যখন জাতীয় দলে আসেননি তার আগে থেকেই এই অ্যাকশনে ছিলাম। আর যারা আমাকে চেনে তারা এই অ্যাকশনেই চেনে। আর সাকিব ভাই একজন লিজেন্ড ক্রিকেটার। তাঁর সাথে কোনো তুলনা হয় না। ওনার অ্যাকশনের মতো আমার অ্যাকশন যেহেতু হয়ে গেছে এটা আসলে আমার জন্য অনেক বিশাল একটা ব্যাপার। আমি এর জন্য নিজেও গর্ব বোধ করি যে একই ধরণের অ্যাকশন আমারও হয়।’

অবশ্য শুধু বোলিং স্টাইলেই নয়, সাকিবের মতো ৭৫ নম্বর জার্সিতে মাঠে নামেন শহিদুলও। আর এই কারণে অনেকে তাঁকে ভুল করেন সাকিব ভেবে। এই তথ্য ‘নতুন’ সাকিব নিজেই জানিয়েছেন একাত্তর টিভিকে। শহিদুল বলেন, ‘যখন থেকে দেখেছি যে সাকিব ভাই ৭৫ নম্বর জার্সি পড়েন তখন থেকেই আমি ৭৫ নম্বর ব্যবহার করি। যেখানেই হোক, যে দলেই হোক না কেন আমার ৭৫ নম্বর জার্সি লাগবেই। সাধারণত অন্য কোথাও খেলতে গেলে আমি যখন বোলিং করতে যাই তখন অনেকেই বলে যে সাকিব ভাই আসছে, সাকিব ভাইয়ের মতো বোলিং করছে। যেমন কিছুদিন আগে দিনাজপুরে খেলতে গিয়েছি। সেখানে ৭৫ নম্বর পেছনে দেখে অনেকে বলছিলো সাকিব ভাই এসেছে। এরপর আমি যখন আমি সামনে এসেছি তখন সবাই বুঝতে পেরেছে যে সাকিব ভাই না, শহিদ ভাই এসেছে। এমনটা অনেক ক্ষেত্রেই হয়।’

অন্য সকল ক্রিকেটারের মতো জাতীয় দলে খেলার স্বপ্ন নিজেও দেখেন শহিদুল। বিশেষ করে সাকিব আল হাসানের অবসরের পর তাঁর স্থলাভিষিক্ত হওয়ার ইচ্ছা ভেতরে ঠিকই লালন করে যাচ্ছেন তিনি। তাঁর কথাতেই সেটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বলেছেন, ‘জাতীয় দলে একটা সময় সাকিব ভাই থাকবে না। তখন অবশ্যই তাঁর জায়গাটা খালি থাকবে। তাঁর জায়গায় যেতে পারলে অবশ্যই অনেক গর্ববোধ করবো। আর প্রতিটি ক্রিকেটারই জাতীয় দলের জন্য খেলে।’