মুস্তাফিজকে দলে না রাখার ফল পাচ্ছে মুম্বাই, দেখেনিন কত বলে কত রান দরকার

ক্রিকেট খেলাধুলা

শেষ চারের আশা টিকিয়ে রাখতে প্রাণপন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।  রোববার (৬ মে) মুম্বাই নিজেদের ঘরের মাঠে তেমনটাই লক্ষ্য করা গেল।  কলকাতার নারনি, রাসেলরা মুম্বাইয়ের ব্যাটসম্যানদের বিরুদ্ধে কোন প্রতিরোধতই গড়ে তুলতে পারেনি।  ফলে সূর্যকুমার যাদব ও লুইসদের দুর্দান্ত ব্যাটের উপর ভর করে মুম্বাইয়ের সামনে চ্যালেঞ্জিং স্কোর দাঁড় করিয়েছে রোহিতের বাহিনী।  নর্ধিারিত ২০ ওভারে চার উইকেট হারিয়ে কিং খানের ছেলেদের ১৮২ রানের টার্গেট দেয় মুম্বাই।

মুম্বাইয়ের মাঠে টসে জিতে আগে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স।  ফলে এভিন লুইসকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংসের গোড়াপত্তন করেন সূর্যকুমার যাদব।  এদিন ব্যাট হাতে দারুণ সূচনা করেনদুই ওপেনার।  বার বার ব্যার্থ হওয়ার পরেও আজও লুইসে আস্থা রেখেছেন রোহিত।  তবে আজ কথা রেখেছেন লুইস।  ২৮ বলে ৪৩ রান করে স্বদেশী রাসেলের বলে লিনের হাতে ধরা পরেন তিনি।

পেরে যাদবকে সঙ্গ দিতে ব্যাট হাতে আসেন কাপ্তান।  বেশিক্ষন সঙ্গ দিকে পারেনি অধিনায়ক।  তিনি কাঁটা পড়েন ১১ বলে ১১ রান করে।  তবে একপ্রান্ত থেকে বিধ্বংসী হয়ে উঠছেন যাদব।  তিনি ৩৯ বলে ৫৯ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস খেলে রাসেলের বলে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন।  যাদবের ইনিংসটি ছিল সাতটি চার ও দুটি ছক্কায় সাজানো।

ব্যাট হাতে আসেন দুই ভাই হার্দিক পান্ডিয়া ও ক্রনাল পান্ডিয়া।  দুই ভাইয়ের ব্যাটে বড় সংগ্রহের দিকে এগুতে থাকে মুম্বাই।  তবে ১১ বলে ১৪ রান করে ফিরেন ক্রনাল পান্ডিয়া।

শেষে হার্দিক পান্ডিয়া ২০ বলে ৩৫ রান এবং ডুমিনি ১১ বলে ১৩ রান করে অপরাজিত থাকেন ।  ফলে নির্ধারিত ২০ ওভারে চার উইকেট হারিয়ে ১৮১ রান সংগ্রহ করে মুম্বাই।

কলকাতার হয়ে দুটি করে উইকেট নেন অ্যান্দ্রে রাসেল ও সুনীল নারিন।

জবাবে ব্যাটিং এ নেমে কলকাতার সংগ্রহ ১৩ ওভারে ১১৩ রানে ৩ উইকেট।  ক্রিজে আছেন নিতেশ রানা ৩১ এবং দিনেশ ০ রানে।  ক্রিস লীন আউট হন ১৭ রান করে ম্যাকলেনেঘানের বলে এবং শুবভমান গিল ৭ রান করে হার্দিক পান্ডিয়ার শিকারে পরিণত হন।