মেসি–পিকের দ্বন্দ্ব রাজনীতি নিয়ে!

খেলাধুলা ফুটবল

লাস পালমাসের বিপক্ষে বার্সেলোনার ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল দর্শকশূন্য অবস্থায়। কাতালোনিয়া নিয়ে বিদ্রোহের জেরে সেটি করা হয়েছিল। ন্যু ক্যাম্পের সেই নীরব-নিথর রাতের পর আজ আবার সেখানে ফুটবল ফিরছে, ফিরছে দর্শক। চ্যাম্পিয়নস লিগে অলিম্পয়াকোসের বিপক্ষে ম্যাচটি নিজের উঠোনে খেলতে প্রস্তুত বার্সেলোনা।

তবে অলিম্পয়াকোসের বিপক্ষে ম্যাচে নামার আগে একটা সমস্যা থেকেই যাচ্ছে। লিওনেল মেসির সঙ্গে নাকি রাজনৈতিক বিষয়াদি নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছে জেরার্ড পিকের। মেসি পিকেকে পরিষ্কার ভাষায় সাবধান করে দিয়েছেন, বার্সা ডিফেন্ডার যেন রাজনীতি নিয়ে অতিরিক্ত মাথা না ঘামান।

 

কাতালোনিয়ার স্বাধীনতা প্রশ্নে পিকের কণ্ঠ খুবই সোচ্চার। তিনি নিজের জনগোষ্ঠীর অধিকার কিংবা রাজনৈতিক স্বাধিকার সম্বন্ধে খুবই সচেতন। প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে এসব নিয়ে বিভিন্ন পোস্ট দেন। রাজনৈতিক বিষয়াদিতে যা হয় আর কি, পোস্টগুলোয় সমর্থন যেমন পান, সে অনুযায়ী তীব্র সমালোচনারও স্বীকার হতে হয়।

অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের সঙ্গে বার্সেলোনার সর্বশেষ লা লিগা ম্যাচেই মেসি আর পিকের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। ড্রেসিংরুমে পরিস্থিতিটা নাকি হয়ে উঠেছিল বেশ উত্তপ্তই। সে ম্যাচে সুয়ারেজের গোলে হার এড়ায় বার্সেলোনা। খেলা শেষে এই কথা, সেই কথায় পিকের সঙ্গে লেগে যায় তাঁর। তিনি বলে দেন পিকের উচিত রাজনীতি নিয়ে অতিরিক্ত মাথা না ঘামিয়ে পুরোপুরি ফুটবলে মনঃসংযোগ করা।

কাতালোনিয়া সমস্যাটা নিয়ে মেসি শুরু থেকেই বেশ চিন্তিত। আর্জেন্টাইন তারকা ফুটবল ছাড়া আর কিছুই মাথায় রাখতে চান না। একজন স্প্যানিশ টিভি সাংবাদিকের বরাত দিয়ে ব্রিটেনের পত্রিকা ডেইলি স্টার লিখেছে, অ্যাটলেটিকো ম্যাচের আগে মেসি এসব নিয়ে পুরো দলকেই সাবধান করেন। ম্যাচে পয়েন্ট হারানোর পর তাঁর শঙ্কাই সত্য হয়। মেসি অনুভব করছেন, গোটা দলই (বার্সেলোনা) যেন ফুটবল বাদ দিয়ে রাজনীতি নিয়ে বেশি চিন্তাভাবনা করছে।