শুনেনিন বিধ্বস্ত প্লেন থেকে বেঁচে ফেরা রণজিৎ এর মুখে বিধ্বস্ত সেই বিমানের কাহিনি

অর্থনীতি আলোচিত সংবাদ প্রধান খবর

প্লেনের বাম দিকে যারা ছিল তারাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কারণ প্লেনটির বাম দিক প্রথমে মাটির ওপর আছড়ে পড়ে। আমি ছিলাম ডান দিকের তিন নম্বর সারিতে।’ কথাগুলো বলছিলেন নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত প্লেন থেকে বেঁচে ফেরা বিধ্বস্ত প্লেন থেকে বেঁচে ফেরা ।

রণজিৎ বর্তমানে নেপালের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা জানান।

প্লেন আছড়ে পড়ার ভয়ঙ্কর ঘটনা বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি অনেক সৌভাগ্যবান। এই ঘটনার আগে প্লেনটি ভয়ানকভাবে কাঁপছিল। আমি ভয় পেয়েছিলাম আর বিমানবালাকে ডাকছিলাম। এ সময় একজন বিমানবালা তার সিট থেকে ইশারায় আমাকে জানাল ভয়ের কিছু নেই। এ সময় হঠাৎ প্লেনের গতি বেড়ে যায়। হঠাৎ বিকট আওয়াজ। যখন আমার জ্ঞান ফেরে তখন দেখি প্লেনে আগুন ধরে গিয়েছে। এ সময় অনেকে অজ্ঞান হয়ে পড়েছিল আবার অনেকে চিৎকার করছিল। তাৎক্ষণিক আমি আমার সিটবেল্ট খুলে ফেলি এবং আমার যে বন্ধুর জ্ঞান ছিল সে আর আমি প্লেন থেকে লাফ দেই। আমরা বেঁচে যাই।’

এদিকে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এই দুর্ঘটনায় রণজিৎ তার হাতে ব্যথা পেয়েছেন; এ ছাড়া তার বড় ধরনের কোনো ক্ষতি হয়নি।

উল্লেখ্য, গত ১২ মার্চ সোমবার ৭১ জন আরোহী নিয়ে ঢাকা থেকে রওনা হয়ে কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে অবতরণের সময় দুপুরে বিধ্বস্ত হয় ইউএস-বাংলার যাত্রীবাহী প্লেন। এতে প্রাণ হারান ৫১ জন। যাত্রীদের মধ্যে ৩৩ জন নেপালি, ৩২ জন বাংলাদেশি, মালদ্বীপের দুজন ও চীনের একজন নাগরিক ছিলেন।

প্রিয় সংবাদ/আজাদ চৌধুরী