শেষ মিনিটের উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে সেমিতে গেলো রিয়াল মাদ্রিদ

খেলাধুলা ফুটবল

ফুটবল মানেই উত্তেজনা আর শেষ মিনিটের অপেক্ষা। কেননা শেষ বাঁশি বাজার পূর্ব মুহূর্তেও পাল্টে যেতে পারে খেলার ফলাফল, এলোমেলো হয়ে যেতে পারে সব হিসাব-নিকাশ। এমনই এক ঘটনা ঘটল  চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমি-ফাইনালে উঠার জুভেন্টাস-রিয়াল মাদ্রিদের ম্যাচে। শেষ মিনিটের উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে সেমিতে গেলো রিয়াল মাদ্রিদ।

বুধবার শেষ আটের ফিরতি লেগে ৩-১ গোলে হেরেও দুই লেগ মিলিয়ে ৪-৩ এ এগিয়ে গেছে রিয়াল মাদ্রিদ।

 

এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই দুর্দান্ত খেলতে থাকে জুভেন্টাস। ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটে প্রথম আক্রমণেই এগিয়ে যায় তারা। সামি খেদিরার ক্রস পেয়ে হেডে লক্ষ্যভেদ করেন মারিও মানজুকিচ। ছয় মিনিট পর আবারও আক্রমনে জুভেন্টাস। তবে হেসুস ভালেহো ও রাফায়েল ভারানের বোঝাপড়ার ভুলের সুযোগে দগলাস কস্তার নেওয়া শট ঠেকিয়ে দেন কেইলর নাভাস।

ম্যাচের দশম মিনিটে স্বাগতিকরা প্রথম সুযোগ তৈরি করে। তবে গ্যারেথ বেলের ব্যাকহিল অল্পের জন্য লাগে পাশের জালে। এর তিন মিনিট পর ইসকো দুরূহ কোণ থেকে জালে বলে জড়ালে তা অফসাইডের বাঁশিতে বাতিল হয়ে যায়। তবে থেমে থাকেনি মানজুকিচ। ম্যাচের ৩৭তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তিনি। এবার স্টেফান লিশ্টস্টাইনারের ক্রসে হেডে বল জালে পাঠান ক্রোয়েশিয়ার এই ফরোয়ার্ড।

ম্যাচের ৬০তম মিনিটে গোলরক্ষকের ভুলে তৃতীয় গোল হজম করে রিয়াল। হাতে আসা বল ধরতে গিয়ে ফসকে বেরিয়ে গেলে গোলমুখে তা পেয়ে জালে জড়ান ফরাসি মিডফিল্ডার ব্লেইস মাতুইদি।

খেলার শেষ দিকে একচেটিয়া আক্রমণ করতে থাকে রিয়াল। আর সেই সেই ধারাবাহিকতায় যোগ করা সপ্তম মিনিটে পায় কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা। গোলমুখে ভাসকেসকে মরক্কোর ডিফেন্ডার বেনাতিয়া ফাউল করলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। রেফারির সঙ্গে তর্ক জুড়িয়ে লাল কার্ড দেখেন ইতালিয়ান গোলরক্ষক বুফ্ন।

স্পট কিক নেন রোনালদো, জোরালো শটে জাল খুঁজে পান তিনি। তর্ক-বিতর্ক আর উত্তেজনা পেরিয়ে তিন মিনিটের যোগ করা সময় শেষ হয় অষ্টম মিনিটে গিয়ে।

১২ বারের শিরোপা জয়ী রিয়াল মাদ্রিদ এই নিয়ে টানা আটবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমি-ফাইনালে উঠলো।