‘সবাই ধোনির পেছনে লেগেছে কেন?’

ক্রিকেট খেলাধুলা

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতেই সাবেকদের একহাত নিলেন অধিনায়ক বিরাট কোহলি। থিরুবানানথাপুরামে বৃষ্টিবিঘ্নিত শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছে ৮ ওভারে। সেটিতে উত্তেজনার পসরা সাজিয়ে ৬ রানের এক রোমাঞ্চকর জয়ের পর ধোনির পাশে দাঁড়ালেন ভারত অধিনায়ক।

এই সিরিজেরই দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ভারতের হারের পর ‘ধোনি চলে না’-জাতীয় মন্তব্য করেন সাবেক দুই ক্রিকেটার ভিভিএস লক্ষ্মণ ও অজিত আগারকার। দুজনেরই মন্তব্য ছিল ধোনির উচিত টি-টোয়েন্টি ছেড়ে দিয়ে ভারতীয় দলে নতুন ও তরুণ প্রতিভা প্রবেশের সুযোগ করে দেওয়া। কোহলি এসবে বেশ বিরক্তই। তিনি বলেছেন, ‘সবারই উচিত একটু ধৈর্য ধারণ করা। আমাদের কারওরই উচিত না ধোনি ভাইয়ের পেছনে লাগা।’

লক্ষ্মণ-আগারকার ধোনিকে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ছেড়ে দিতে বললেও ভারতকে তিনটি বৈশ্বিক ট্রফি জেতানো সাবেক এই অধিনায়কের পাশে দাঁড়িয়েছেন সুনীল গাভাস্কার ও বীরেন্দর শেবাগ। কোহলিও তাঁদের সঙ্গেই গলা মিলিয়েছেন, ‘দিল্লিতে ধোনি ভাই যে ছক্কাটি মেরেছিলেন, সেটি পোস্ট ম্যাচ শোতে পাঁচবার দেখানো হয়েছে। সবাই তখন তাঁর ওপর খুশি ছিল। হঠাৎ করেই তিনি যখন একটা ম্যাচে ব্যর্থ হলেন, আমরা সবাই তাঁর পেছনে লেগে গেলাম।’

কোহলি মনে করেন, ক্রিকেটটা ধোনি খুব ভালোই বোঝেন। জানেন, কোথায় তাঁকে থামতে হবে, ‘ধোনি অভিজ্ঞতায় পূর্ণ একজন ক্রিকেটার। তিনি জানেন, কোথায় দাঁড়িয়ে আছেন। আর কতটুকু পথচলা তাঁর বাকি। আমি মনে করি, তাঁর সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার অন্য কারও নেই।’

ধোনির বয়স ৩৫ হয়ে গেছে বলেই কি তাঁকে নিয়ে এত আলোচনা? কোহলি মনে করছেন সেটিই, ‘আমি টানা তিন ম্যাচে ব্যর্থ হলে কেউ আমাকে নিয়ে এসব বলবে না। কারণ, আমার বয়স ৩৫ নয়। কিন্তু ধোনি ভাইয়ের বয়স ৩৫ হলেও তিনি পুরোপুরি ফিট। সব ফিটনেস পরীক্ষা উতরেই তিনি ভারতীয় দলে জায়গা করে নিয়েছেন। তিনি দলের সাফল্যে বিভিন্নভাবে অবদান রাখছেন। কেবল ব্যাটিংয়ে কিংবা কিপিংয়েই নয়, কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিতেও তাঁর অবদান দুর্দান্ত।’

সূত্র: জিনিউজ