সালমান শাহর অপমৃত্যুর মামলায় অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল

বিনোদন

চিত্রনায়ক সালমান শাহর অপমৃত্যুর মামলায় তদন্তের অগ্রগতি বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেছে তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম দেব্রবত বিশ্বাসের আদালতে এ প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইর পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম (বাবুল)।

প্রতিবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, প্রয়াত চিত্রনায়ক সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীকে ঘটনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করি। ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত সাক্ষী হুমায়ুন কবির, আ. সালাম, দেলোয়ার হোসেন শিকদার, আ. খালেক হাওলাদার, বাদল খন্দকার (চলচ্চিত্র পরিচালক), শাহ আলম কিরণ (চলচ্চিত্র পরিচালক), মুশফিকুর রহমান গুলজার, এস এম আলোক সিকদার ও হারুন অর রশিদকে ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করে ১৬১ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করি। সাক্ষীদের ঠিকানা নির্ণয়ের জন্য কতিপয় সাক্ষীর স্থায়ী ঠিকানায় অনুসন্ধান স্লিপ ইস্যু করি। রুবির ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করি। মামলাটির তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

বিচারক আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পরবর্তী তারিখ ধার্য করেন।

গত ৬ ডিসেম্বর এ আলোচিত মামলাটি তদন্ত করতে পিবিআইকে নির্দেশ দেন আদালত।

এর আগে বিচার বিভাগীয় তদন্তের ওপর নারাজির পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সিএমএম আদালত র‌্যাবকে মামলাটি পুনঃতদন্তের নির্দেশ দেন। ওই আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ রিভিশন করলে র‌্যাবকে দেওয়া তদন্তের আদেশ বেআইনি ঘোষণা করা হয়।

মামলার আসামিরা হলেন- আজিজ মোহাম্মাদ ভাই, সালমান শাহর স্ত্রী সামিরা হক, সামিরার মা লতিফা হক লুসি, রেজভী আহমেদ ওরফে ফরহাদ, এফডিসির সহকারী নৃত্য পরিচালক নজরুল শেখ, ডেভিড, আশরাফুল হক ডন, রাবেয়া সুলতানা রুবি, মোস্তাক ওয়াইদ, আবুল হোসেন খান ও গৃহপরিচারিকা মনোয়ারা বেগম।

প্রসঙ্গত, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ১১/বি নিউস্কাটন রোডের ইস্কাটন প্লাজার বাসায় নিজ কক্ষে সালমান শাহকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।