১০০ বছর পিছিয়ে যা দেখাবেন রূপঙ্কর ! চোখ রাখুন ২৪ মে

বিনোদন

অন্ধকার প্রেক্ষাগৃহে টিমটিমে টর্চ জ্বেলে দর্শককে আসন দেখিয়ে এসেছেন ইনি ১০০ বছর। এঁর চোখ দিয়েই দেখতে হবে বাংলা ছবির বিবর্তনকে, হীরালালের সাধের বায়োস্কোপকে।

পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছিল তাঁর স্টুডিও, তাঁর তোলা যাবতীয় বায়োস্কোপের ফিলিম। ইতিহাসে তাঁকে জায়গা দিতে গেলেই দাবি ওঠে তথ্য-প্রমাণের। কিন্তু সর্বস্ব হারানো হীরালাল সেন সে সবের জোগান দিতে পারেন না। ফলে ভারতীয় ফিলম জগতের ভগীরথের উপাধিটাও তাঁর কাঁধে বসি বসি করেও বসে না। বাঙালি অবশ্য মনে মনে জানে, হীরালাল সেন না হলে সম্ভবই হতেন না প্রমথেশ বড়ুয়া, উত্তম কুমার কি সত্যজিত্‍ রায়।

শতবর্ষ কবেই পেরিয়ে গিয়েছে। আদিগঙ্গা দিয়ে বয়ে গিয়েছে হরেক কিসিমের ঘোলাজল। বাংলা সিনেমা তার শৈশব-কৈশোর-যৌবন পেরিয়ে এক নিয়ত চেহারাও পরিগ্রহ করেছে। হীরালাল সেন থেকে মানিকবাবুর অস্কার প্রাপ্তি- এই পরিসরে ঢুকে রয়েছেন উত্তম-সৌমিত্র-ভানু-জহর-সুচিত্রা-সুপ্রিয়া-উত্‍পল দত্ত। আর ঢুকে রয়েছেন এক টর্চম্যান। অন্ধকার প্রেক্ষাগৃহে টিমটিমে টর্চ জ্বেলে দর্শককে আসন দেখিয়ে এসেছেন ইনি ১০০ বছর। এঁর চোখ দিয়েই দেখতে হবে বাংলা ছবির বিবর্তনকে, হীরালালের সাধের বায়োস্কোপকে।

‘কৃষ্টি পটুয়া’-র প্রযোজনায় সিনেমা আর থিয়েটারের সম্মিলনে মঞ্চস্থ হতে চলেছে ‘হীরালালের বায়োস্কোপ’। মূল ভাবনা দেবজ্যোতি মিশ্রের, কোরিওগ্রাফি সুদীপ্ত কুণ্ডু(পেড্রো)-র, পরিচালনা চৈতালি লাহিড়ীর। নাট্যরূপ ও সঙ্গীতায়োজনে রয়েছেন রূপঙ্কর। আজকের প্রজন্মের কাছে সেদিনের সোনাঝরা সন্ধেগুলোকে এক সন্ধেতেই তুলে দেওয়া হবে ২৪ মে, জ্ঞান মঞ্চে। বাঙালির ট্র্যাজেডি-কমেডি-সাসপেন্স-ইমোশন একাকার করে উঠে আসবে গান-নাচ-স্মৃতিভার। অপেক্ষায় কলকাতা।